সোমবার ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি – জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

আপডেটঃ ২:২৫ পূর্বাহ্ণ | জুন ১৮, ২০১৯

বিশেষ প্রতিনিধি-: বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও মহাসচিব মুহাম্মদ মফিজুর রহমান লিটন আজ এক যৌথ বিবৃতিতে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি মুক্ত থাকা। প্রতিবছরই খুব জাকজমকভাবে সংসদে বাজেট প্রস্তাব করা হয় এবং তা সংসদে আলোচনা করে পাশও করা হয়। কিন্তু বছর শেষে দুর্নীতির কারণে কালো টাকার মালিক কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলে আর গরিবরা দরিদ্রসীমার নিচে চলে আসে। দুর্নীতিমুক্ত বাস্তবমুখী বাজেট পাশ করলে তাতে সাধারণ মানুষের কল্যাণ বয়ে আসবে বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মানুষের মানবাধিকার নানা ভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারছে না। গণতন্ত্রের ভিত্তি ক্রমান্বয়ে নড়বরে হয়ে পড়ছে। আসন্ন বাজেটে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য প্রতিটি সেক্টরে দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং বিদেশী ঋণের উপর নির্ভরতা কমিয়ে এনে দেশি প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।বাজেটে অটিজম শিশুদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দের দাবি জানান।

বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি : জাতীয় মানবাধিকার সমিতি-

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও মহাসচিব মুহাম্মদ মফিজুর রহমান লিটন আজ এক যৌথ বিবৃতিতে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি মুক্ত থাকা। প্রতিবছরই খুব জাকজমকভাবে সংসদে বাজেট প্রস্তাব করা হয় এবং তা সংসদে আলোচনা করে পাশও করা হয়। কিন্তু বছর শেষে দুর্নীতির কারণে কালো টাকার মালিক কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলে আর গরিবরা দরিদ্রসীমার নিচে চলে আসে। দুর্নীতিমুক্ত বাস্তবমুখী বাজেট পাশ করলে তাতে সাধারণ মানুষের কল্যাণ বয়ে আসবে বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মানুষের মানবাধিকার নানা ভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারছে না। গণতন্ত্রের ভিত্তি ক্রমান্বয়ে নড়বরে হয়ে পড়ছে। আসন্ন বাজেটে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য প্রতিটি সেক্টরে দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং বিদেশী ঋণের উপর নির্ভরতা কমিয়ে এনে দেশি প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।বাজেটে অটিজম শিশুদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দের দাবি জানান।

বাজেটে কালো টাকা মালিক ও পুঁজিবাদীদের সুবিধা
……….সমাজবাদী দল-

শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ইসমত এনামুল হক সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা মালিক ও পুঁজিপতিদের সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ বাজেটে মধ্যবিত্তদের উপর করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাজেট পাশ হওয়ার আগেই নিত্যপণ্যের বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে শ্রমিক-কৃষকের জন্য কোন সুখবর নেই। কৃষক ক’দিন আগেও ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ কৃষকের উৎপাদিত ধানসহ অন্যান্য ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাজেটে সুনির্দিষ্ট কোন সুপারিশ নেই।

দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যেহেতু এ বাজেট এখনো পাশ হয়নি, এ বাজেট সংশোধন করে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতসহ শ্রমিকদের জন্য যুগোপযোগী করা হোক। কালো টাকার মালিকদের সুবিধার বিষয়টি প্রত্যাহার করা হোক। বিবৃতিতে বলা হয়, উত্থাপিত বাজেট বিগত বছরগুলোর বাজেটের মতোই শুধুমাত্র লুটপাটকারী ও নতুন লুটপাটকারী তৈরির ব্যবস্থা ছাড়া আর কিছুই নয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মাফিয়া-ঋণ খেলাপী নয়, সকল কৃষকের ঋণ মওকুফ করতে হবে এবং সকল পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।