সোমবার ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

নেত্রকোনা থেকে চুরি হওয়া বিআরবি তার সিদ্ধিরগঞ্জের কাসসাফ মার্কেট থেকে ৮২ কয়েল উদ্ধার- ৩ জনের মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার না করতে ও মামলায় না জড়াতে- ২ লাখ টাকায় রফাদফা চাইনিজ রেষ্টেুরেন্টে…..

আপডেটঃ ১২:৩৪ অপরাহ্ণ | জুন ২৩, ২০১৯

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চ্যানেল সেভেন -: নেত্রকোনা থেকে একটি হোলসেল দোকানের কয়েকশত বিআরবি কোম্পানীর তার ও ৬৮ টি ফ্যান চুরি হওয়ার ২৭ দিন পর নেত্রকোনা ডিবি পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাংরোডের কাসসাফ শপিং সেন্টারের ফারিয়া ইণেকট্রনিক্স এন্ড হার্ডওয়ার নামে একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে ৮২ কয়েল তার উদ্ধার করেছে । গতকাল শনিবার সকাল ১১ টায় এ অভিযান চালায় নেত্রকোনা ডিবি পুলিশের এসআই ফরিদ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ইব্রাহিম পাটোয়ারীর উপস্থিতিতে। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ ওই দোকানের মালিক ৩ সহোদর সুমন, সুজনকে গ্রেফতার না করে শুধু সুফিয়ানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। দোকান থেকে চোরাই তার উদ্ধার করার পর সুমন সুজন ও সুফিয়ানের সহযোগী আওলাদ, মিঠু, সবুজসহ ৪-৫ জন ডিবির এসআই ফরিদ ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ইব্রাহিম পাটোয়ারীকে গোপনে ডেকে নিয়ে যায় হাজী আহসান উল্ল্যাহ সুপার মার্কেটের একটি চাইনিজ রেস্তোরায়। সেখানে নিয়ে নেত্রকোনা ডিবির এসআই ফরিদ হোসেনের হাতে আওলাদ ও তার সঙ্গীরা নগদ ২ লাখ টাকা তুলে দেন সুমন ও সুজনকে গ্রেফতার না করতে এবং তাদের মামলায় না জড়ানোর জন্য। ওই টাকা থেকে একটি অংশ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ইব্রাহিম পাটোয়ারীকে দেয় এসআই ফরিদ। রফা দফা শেষে এসআই ফরিদ, এসআই ইব্রাহিম পাটোয়ারী ও আওলাদ, সবুজসহ সবাই চাইনিজ খেতে বসে। এসআই ফরিদ সবে মাত্র চাইনিজ মুখে দিে ছে তখই এক ফটো সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্যামেরা বন্দী করেন জামাই আদরে খাওয়ার দৃশ্য। এই ছবি মিডিয়ায় না দেওয়ার অনুরোধ করে ডিবির এসআই চাইনিজ থেকে দ্রুত বেরিয়ে যান। মার্কেটর অন্যান্য দোকানীরা জানায়, গত সপ্তাহখানেক পূর্বে সুমন, সুজন ও সুফিয়ান ৩ শত কয়েল বিআর তার ও ৬৮ টি ফ্যান নামমাত্র দামে ক্রয় করেন আড়াইহাজারের তপু নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে। চোরাইকৃত ২ শতাধিক কয়েল তারও ফ্যান গুলি ৩ সহোদর বিভিন্ন দোকানে পাইকারী করে দিয়েছে। গতকাল শনিবার ফারিয়া নামে ওই দোকান থেকে ৩ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাত্র ৮২ কয়েল তার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে । অভিযোগ রয়েছে ফরিয়া নামে ওই দোকানের মালিক সুমন , সুজন ও সুফিযান দীর্ঘদিন ধরে চোরাই তার, ফ্যানসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক মালামাল চোরদের কাছ থেকে নামমাত্র দামে কিনে অধিক মুনাফা করছে এছাড়া তারা নকল তার, ফ্যানসহ নানা ধরনের মালামাল দোকানে রেখে অরজিনাল মালামাল বলে বিক্রি করে অধিক মুনাফা লুফে নিচ্ছে। তার চোর সিন্ডিকেট চক্রের সহযোগী হিসেবে সমুন , সুজন ও সুফিয়ান কাজ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে । ইতিপর্বে ফারিয়া ইলেকট্রনিক্স এন্ড হার্ডওয়ার নামে ওই দোকানে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে নকল তার উদ্ধারসহ মোটা অংকের টাকা জরিমানা পর্যন্ত করেছে। তবুও থেমে থাকেনি ৩ সহোদর সুমন , সুজন ও সুফিয়ানের চোরাই পন্য কেনা এবং নকল পন্য কেনা। এদিকে মোটাং অংকের টাকা খেয়ে সমুন ও সুজনকে গ্রেফতার না করায় মার্কেটের অন্যন্য ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। চোরাই মাল ক্রয় করার দায়ে অবিলম্বে সুমন ও সুজনকে ও গ্রেফতার করার জন্য নেত্রকোনা ডিবি পুলিশের পরিদর্শকের কাছে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাংরোডের সকল ইলেকট্রনিক্স পন্য ব্যসায়ীরা জোরালেঅ দাবি জানিয়েছেন।