শুক্রবার ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

কেন্দুয়ায় প্রশ্ন ফাসেঁর ঘটনায় ৮ শিক্ষক বরখাস্থ

আপডেটঃ ১:০১ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ০২, ২০১৯

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলায় ২৮ জুন (শুক্রবারে) অনুিষ্ঠত কেন্দুয়া, দূর্গাপুর, কলমাকান্দা,আটপাড়া উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে সংগ্রহ করে প্রতারনা ও জালিয়াতি করে উত্তরপত্র সরবরাহ করার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে কেন্দুয়া উপজেলার দিগদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মজিবুর রহমান, নওপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাওয়া বেগম, লিপা মুনালিসা, বলাইশিমুল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরিয়ম আক্তার, কেন্দুয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাহমিনা আক্তার, মদন উপজেলার জঙ্গলটেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জেবুন্নাহার ডলি, খাগরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক লাকি আক্তার, ও আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক স্মৃতি খানম সহ মোট ৮ জন সহকারী শিক্ষককে সাময়িক ভাবে বরখাস্থ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল হক এ প্রতিনিধিকে মুটোফোনে এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ উবায়দুল্লাহ স্বাক্ষরীত এক আদেশে রোববার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ক্ষমতার আওতাধীন কেন্দুয়া, মদন ও আটপাড়া উপজেলার ৮ জন সহকারী শিক্ষককে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাময়িক ভাবে বরখাস্থ করা হয়েছে। এছাড়া একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান ছোটন, বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাকি ও পানগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুহিন আক্তারকে সাময়িক ভাবে বরখাস্থের আবেদন জানিয়ে উপ-পরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অ ল বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গত ২৮ জুন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেত্রকোনা জেলা সদরের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কারো কারো সঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকার চুক্তি ও লেনদেন করে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে প্রতারনার ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের উত্তর সরবরাহের কাজে জড়িত ছিল একটি শক্তিশালী চক্র।তারা কেন্দুয়া পৌর এলাকার টেংগুরী ছয়আনি মহল্লার শিল্পপতি মনিরুজ্জামান শামিমের বাড়িতে বসে এ কাজ করছিল।