রবিবার ১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

এবছর হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও ভোগান্তি নেই ————–ধর্মপ্রতিমন্ত্রী

আপডেটঃ ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ০৭, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, এবছর হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও ভোগান্তি নেই।
তিনি আর বলেন, চলতি হজ্ব মৌসুমে হাজীদের সেবা করার জন্য বাংলাদেশী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যারা সৌদি আরব গেছেন তাদের প্রত্যেককে সঠিকভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার জন্য আহবান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি শনিবার দুপুরে রাজধানীর আশকোনায় হজ ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
হজ ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, হজ ক্যাম্পের পরিচালক সাইফুল ইসলাম, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম, প্রশাসনের কর্মকর্তা সহ অন্যান্যরা সাথে ছিলেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দর করতে আমরা কাজ করছি। হাজীদের খেদমতে আমাদের কাজে কোনো ঘাটতি নেই। এবার আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা সৌদি-জেদ্দা অংশের ইমিগ্রেশন শাহজালালে হচ্ছে।
হাজীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বরত কর্মকর্তারা (তারা) যত বড় কর্মকর্তাই হোক, দায়িত্ব তাদের পালন করতেই হবে। এর জন্য প্রত্যেককে পারিশ্রমিক দেয়া হয়। দয়া করে সেটি হালাল করে নেবেন।
তিনি হাজীদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রথমদিন হাজিদের এই সুবিধা দিতে না পারলেও দ্বিতীয় দিন থেকে হাজীদের ইমিগ্রেশন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এতে হাজীদের কষ্ট অনেকাংশে কমে গেছে। আগে সৌদিতে এই ইমিগ্রেশন শেষ করতে সময় লাগতো ৬-৭ ঘণ্টা।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজীদের বিষয়টি সব সময় খেয়াল রাখেন। সেই লক্ষ্যে আমরা ২০০৯ সাল থেকে হাজীদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে কাজ করছি। এখানে ফাঁকি দেওয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই।
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম নেই উল্লেখ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আরও বলেন, হজযাত্রার শুরুতেই আমি সবাইকে বলেছি অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারাও আমাকে কথা দিয়েছেন। সেই কথা মত এখনও সবকিছু ভালো আছে।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমানের কোনো ফ্লাইট এখন পর্যন্ত বাতিল হয়নি। আশা করছি সামনে কোনো সমস্যা হবে না। হাজীদের খেদমতে আমরা সচেতন।
ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা হজ পোস্টিং পান, বিগত বছর গুলোয় তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে এবার চিকিৎসক নার্সসহ সব বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
এদিকে, শনিবার ১৬টি হজ ফ্লাইট রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের ৭টি এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের ৯টি। ইতোমধ্যে আজ বাংলাদেশ বিমানের তিনটি হজ ফ্লাইটে ১,২৫৩ জন এবং সৌদি এয়ারলাইনসের ৬টি ফ্লাইটে ২,১৪৬ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশে রওয়া দিয়েছে।
আশকোনা হজ্বক্যাম্প ও বিমান এয়ারলাইন্স সুত্রে জানা যায়, এ বছর প্রা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশি হজ করতে সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭ হাজার ১৯৮ জন। এসব যাত্রীর মধ্যে ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স পরিবহন করবে।
সুত্র আরও জানান, এবার হজযাত্রীদের ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা এবং ঢাকা-মদিনা-ঢাকা রুটে পরিবহনের জন্য বিমানের চারটি নিজস্ব বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর উড়োজাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।