বুধবার ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

ঝিনাইদহ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে নীতিমালা বর্হিভুত ছাত্রভর্তির তথ্য মিলেছে অভিযুক্তদের সাথে তদন্ত দলের ভুরিভোজ !

আপডেটঃ ১:১৩ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১২, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার-ঝিনাইদহঃ-ঝিনাইদহ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুজ্জামানের বিরুদ্ধে নীতিমালা বহির্ভুত ছাত্র ভর্তির তথ্য পেয়েছে মহাপরিচালকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি। বুধবার বিকালে শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার বিভাগীয় পরিচালক ড. হারুন অর রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল ঝিনাইদহে তদন্ত করতে আসেন। বৃহস্পতিবার তিনি গনমাধ্যমকর্মীদের মুঠোফোনে জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের কিছুটা সত্যতা মিলেছে। তবে আমরা ৫ জন ছাত্রকে অবৈধ ভাবে ভর্তির প্রমান পেয়েছি। জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে সহকারী পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম টুকুর ১০৩৮ স্মারকে পাঠানো চিঠির আলোকে তদন্ত দল ঝিনাইদহে এসে অভিযোগ তদন্ত করেন।

সাক্ষ্য গ্রহনকালে অভিযোগকারীদের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। এ সময় অভিভাবকরা নীতিমালা বহির্ভুত ছাত্র ভর্তির তথ্য ভিত্তিক রেকর্ড তদন্ত দলের কাছে হস্তান্তর করেন। শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনার বিভাগীয় অফিসের গবেষনা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান ও সহকারী পরিচালক ইনামুল ইসলাম তদন্ত দলের সাথে উপস্থিত ছিলেন।

পরিচালক ড. হারুন অর রশিদ চৌধুরী জানান, সাক্ষ্যদাতারা তাদের লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন প্রধান শিক্ষক মিজানুজ্জামান ছাত্র প্রতি আড়াই লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে বিভিন্ন ক্লাসে ছাত্র ভর্তি করেছেন। তার এই অনৈতিক কাজে সহায়তা করেছেন শিক্ষক গোলাম সারোয়ার ও নাইটগার্ড ওসমান আলী। আমরা এই অভিযোগ খতিয়ে দেখছি। এদিকে অভিযোগের তীর যাদের বিরুদ্ধে তাদের সাথেই তদন্ত কমিটির সদস্যরা বুধবার বিকালে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে খাওয়া দাওয়া ও গল্পগুজব করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া খাওয়া দাওয়ার আয়োজকও ছিলেন প্রধান শিক্ষক মিজানুজ্জামান ও শিক্ষক গোলাম সারোয়ার। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, তথ্য প্রমান দেওয়ার পরও যদি দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন না করা হয় তবে উচ্চ আদালতে রিট, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর বরাবর অভিযোগ-সহ জেলা শহরে মানববন্ধন কর্মসুচি ঘোষনা করা হবে।