বুধবার ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

চৌগাছায় বেপরোয়া গতিতে চলছে চার্জার ভ্যান, দেখার কেউ নেই-প্রশাসন নির্বাক….

আপডেটঃ ২:২৮ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১২, ২০১৯

চৌগাছা (যশোর)-:  যশোরের চৌগাছায় নিয়ন্ত্রণ বেপরোয়া গতিতে চলছে চার্জার ভ্যান, দেখার কেউ নেই।
সরেজমিন চৌগাছা পৌরসদর সহ আশে পাশের ছোট বড় সব বাজারেই দেখা মেলে এই বিপদজনক দ্রুতগতির চার্জার ভ্যানের। সাধারণ ভ্যানের সাথে একটি দ্রুতগতির একটি  মোটর লাগিয়ে চলছে এই ভ্যানের যাত্রী বহনের কাজ। 
সাধারণ মানুষ এটি ঝুঁকি জেনেও জরুরী প্রয়োজনে কোন রকমে গন্তব্য স্থানে যাবার জন্য এটি ব্যবহার করছেন। কোন রকমের নিয়মনীতি না থাকায় চালকরা যাত্রিদের যাত্রী সেবা দেবার নামে প্রতরণা করছে। উপজেলার সমগ্র এলাকা জুড়ে বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতি গ্রামে অহরহ চার্জার ভ্যান রয়েছে। পায়ে চালিত ভ্যান নেই বললেই চলে। আর এই চার্জার ভ্যানগুলো উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন বাজারেই যাত্রী বহনের কাজ করে। ফলে বাজারে এক পর্যায়ে সারা জায়গার চার্জার ভ্যানগুলো শহরেই ভিড় জমায়। কিন্তু সাধারণের প্রশ্ন কেন এরা অবৈধ থাকবে? 
নিকটবর্তী উপজেলা সূত্রে জানা গেছে,  এই চার্জার ভ্যান পৌরসভার মধ্যে চলাচল করতে পৌরসভা কৃর্তৃক চার্জার ভ্যান গাড়ির জন্য লাইন্সেস। কিন্তু বাস্তবে চৌগাছা উপজেলার কোন চার্জার ভ্যান মালিক আজ পর্যন্ত চৌগাছা পৌরসভা কৃতক কোন প্রকার লাইন্সেস গ্রহন করেনি।
লাইসেন্সহীন ভাবে চৌগাছা পৌরসভার ভিতরে চলাচল করছে হাজারো অবৈধ চার্জার  ভ্যান গাড়ি। নাম প্রকাশ না করা শর্তে চৌগাছা পৌরসভার এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, বেশ কয়েক বছর আগে পৌরসভার উদ্যোগে চৌগাছা পৌরসভার ভিতরে চলাচল করা সকল প্রকার চার্জার ভ্যান গাড়ির তালিকা তৈরি করে  লাইন্সেস প্রদান করার কথা থাকলেও পরে তা কার্যকর করা সম্ভাব হয়নি।
কোন রকম নিয়মনীতি না মেনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই সকল দ্রুতগতির চার্জার ভ্যান। এখনই সময় এই সকল দ্রুতগতির গাড়ি গুলো গতি একটা নিয়মের মধ্যে পরিচালিত করা।

শুধু গাড়ির গতি নয়, রাতের বেলায় গাড়িটি চলতে ব্যবহার করছে সার্চলাইটের আলো।এই আলোর এতো বেশি পাওয়ার যে সামনে থেকে আসা গাড়ির চালকই অনেক সময় সামনাসামনি মেরে দেয়। 
গত মঙ্গলবার চৌগাছা বাজারের স্বর্ণপট্টি মোড়ে অবস্থিত কাজী সু ষ্টোর ও মজিদ ষ্টোরের সামনে চাঁদপুর থেকে মোটরবাইকে আসা এক ব্যক্তিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেন একটি চার্জার ভ্যান গাড়ির চালক। ধাক্কা খেয়ে ভ্যানে থাকা এক মহিলা পিচের উপর পড়ে হাত পা কেটে রক্ত পড়তে থাকে।
এ দিকে মোটরবাইকের আরহী মোটরবাইক নিয়ে পিচের উপর পড়ে গাড়ির হেডলাইট, কভার, লুকিংগ্লাস ভেঙ্গে যায়। এই দূর্ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজন ঐ চার্জার ভ্যান গাড়ির চালক কে দায়ী করেন।
এটা নতুন কোন ঘটনা নয়, একের পর এক এমন দূর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে কিন্তু এ সব দেখার কেউ নাই। দ্রত এই সব অবৈধ চার্জার ভ্যান গাড়ির তালিকা তৈরি করে বৈধ লাইন্সেস দিয়ে রোডে চলাচলে উদ্বুদ্ধ করা অতি জরুরী। উপজেলাবাসী এই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।