শুক্রবার ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

শাহরাস্তিতে নারী নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন ও ইভটিজিং বিরোধী শিক্ষকদের মতবিনিময় সভা …

আপডেটঃ ২:২২ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১৬, ২০১৯

বিশেষ প্রতিনিধিঃ-চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নারী নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন ও ইভটিজিং বিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টিতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল সোমবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলামে উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শওকত ওসমান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তারের সভাপতিত্বে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উল্লাহ চৌধুরী, পৌর মেয়র হাজী আবদুল লতিফ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ইরান। শাহরাস্তি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম এলএলবি।

উক্ত আলোচনা সভায় উপজেলা অঙ্গনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, মসজিদের ইমাম ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, নারীরাও এদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বয়ে আনতে পারবে। তাই নারীদের যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আলোকিত সমাজ গড়তে পুরুষদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
আজ যে নারী তিনি আপনার মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা। তাদের রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব আপনার। আপনি তাদের ভালো ভাবে গড়ে তুলেই এরা একদিন দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করতে পারবে। যে যেখান থেকে পারেন সেখান থেকেই আগামীর নারীকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে যথাযথ দায়িত্ব পালন করার উদাত্ত আহবান জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার বলেন, বর্তমান সমাজে নারী নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন ও ইভটিজিংয়েন মত ঘটনার প্রবনতা বৃদ্ধি বেড়েই চলছে। এধরনের অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষক, সামাজিক সচেতন ব্যক্তি, রাজনৈতিক ব্যক্তিগন এগিয়ে আসলে এই প্রবনতা কমানো সম্ভব। প্রতিটি শিশুকন্যা, নারী শিক্ষার্থী ও গৃহবধু স্বাধীন স্বত্তায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করার অধিকার রাখে। আমরা তাদের সেই অধিকার রক্ষায় নিজ নিজ জায়গা থেকে নিরলস ভূমিকা পালন করলে এই ধরনের অপরাধ প্রতিকার করা যাবে। তাই সবাই মিলে এর প্রতিকার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।
শাহরাস্তি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, আমাদের সকলের দায়িত্বের পাশাপাশি অভিভাবকদের সার্বিক নজরদারিতা একান্ত প্রয়োজন। লেখাপড়া করতে গিয়ে আপনার সন্তান কোথায় যায়, কি করে, কাদের সাথে চলে এসব খেয়াল রাখতে হবে। ১৮ বছরের সন্তানের হাতে মোবাইল দিবেন না। আপনার সন্তান সম্পর্কে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখবেন। এতে আপনাদের অসহযোগিতাই আগামীর প্রজন্ম বিপথগামী হওয়ার সম্ভাবনা। তাই এমন অপরাধ নির্মূলে সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা একান্ত প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
এসময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।