সোমবার ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ ইং ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

কক্সবাজারে পুলিশের উপর হামলায় তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেটঃ ১০:৪৯ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৯, ২০১৪

জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী  কক্সবাজার
কক্সবাজার শহরে ছাত্রলীগ নেতার মোটর সাইকেল আটক ও ছাত্রলীগ সভাপতিকে লাঞ্চিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধান সড়কে অগ্নি-সংযোগ, গাড়ি ভাংচুর, ট্রাফিক ও সদর মডেল থানায় হামলা ও  ভাংচুরের ঘটনায় এক সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আবুল হোসেনকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে । তিনি তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয় নিয়ে ১৯ জুলাই শনিবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে অনুষ্টিত হয়েছে। উক্ত সভার শেষে বিকেল ৫টার দিকে এ তথ্য জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন। জেলা প্রশাসক জানান, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে ছাত্রলীগের মধ্যে কারা দায়ী তাদের চিহ্নিত করা হবে। অনুষ্টিত সভায় পুলিশ সুপার আজাদ মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ, কক্সবাজার সদর থানার ওসি মাহফুজুর রহমান দাবি করেন, ১৮ জুলাই শুক্রবার ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘটিত ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে গুলিবর্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কেন পুলিশ গুলিবর্ষণ করেছে তা খুঁজে বের করা হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কলম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহমদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের নেতা নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. নজিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের এবং জেলা প্রশাসক, প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তারা, জেলার সিনিয়র সাংবাদিকগনও উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও তিনি সভাস্থলে যাননি।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের লালদিঘীর পাড় এলাকায় কক্সবাজার শহর ছাত্রলীগের হিমু নামে এক কর্মীকে অবৈধ মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনার জের ধরে ছাত্রলীগ কর্মীরা কক্সবাজার সদর মডেল থানা, ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়, পুলিশের ব্যারাকে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। এতে কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, এবি সিদ্দিক খোকন, পুলিশ কনস্টেবল দিলু অং মামরাসহ ৫ জন আহত হন। এদিকে, বিষয়টি মীমাংসার জন্য রাত ১৮ জুলাই রাত ১০টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভাও অনুষ্টিত হয়েছিল। কিন্তু তাতেই সমাধান না হওয়ায় অনুষ্টিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।