সোমবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ৮ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

শাহজালালে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ১০ পিস সোনার বার উদ্বার -আটক-১

আপডেটঃ ১:২৫ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন– ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক দু’টি ঘটনায় জুয়েল ও সোলায়মান নামে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ১০ পিস সোনার বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম। জব্দকৃত সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার রাতে শাহজালালের গ্রিন চ্যানেল ও ডোমেস্টিক (অভ্যন্তরিন) পৃথক দু’টি এলাকায় যাত্রীদের দেহ তল্লাশী করে এসব সোনা জব্দ করা হয়।

ঢাকা কাস্টমস হাউজরে ডেপুটি কমশিনার অথলো চৌধরুী আজ এসব তথ্য নিশ্চিত করছেনে।ঢাকা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন আজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে ব্যাংকক থেকে চ্ট্টগ্রাম হয়ে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের (আরএক্স-৭৮৭) উড়োজাহাজটি ঢাকা হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। আর ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন জুয়েল। তিনি বিমানবন্দরে নেমে গ্রিন চ্যানেল ও ডোমেস্টিক ফ্লাইটের (অভ্যন্তরিন) যাত্রীরা আসলে তাদের দেহ তল্লাশী করা হয়। এক পর্যায়ে ঢাকা কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা যাত্রী জুয়েলকে চ্যালেঞ্জ করে। তখন জুয়েল তার কাছে সোনার বার থাকার কথা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরের রেক্টামের ভেতর থেকে ১০ তোলা ওজনের ৮ পিস সোনার বার উদ্বার করা হয়। যার ওজন ৭৯৯ গ্রাম।

এদিকে, একই রাত ১১টার দিকে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের (আরএক্স-৭৮৩) নম্বরের উড়োজাহাজ যোগে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় আসে সোলায়মান নামে এক যাত্রী। বিমানবন্দরে নামার পর যাত্রী সোলায়মান গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের পরে ঢাকা কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা তাকে চ্যালেঞ্জ করা হলে তিনিও অস্বীকার করেন। পরবতীর্তে তিনিও তার শরীরের গোপন ¯’ানে লুকানো ২ পিস সোনার বারের কথা স্বীকার করেন। যার ওজন ২৩৫ গ্রাম। তবে, তাকে আটক করা হয়নি। মোট উদ্ধারকৃত ১০ পিস সোনার আনুমানিক দাম প্রায় ৫০ লাখ টাকা। উদ্বারকৃত সোনা গুলো ঢাকা কাস্টমস হাউজের হেফাজতে রয়েছে।

উদ্বারকৃত সোনার বিষয়ে কাস্টমস আইনে ব্যব¯’া নেয়া হয়েছে। এঘটনায় বিমানবন্দর থানায় রাতে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত যাত্রী জুয়েলকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।এদিকে, বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নূরে আযম মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ওসি জানান, সকালে জিঞ্জাসাবাদ শেষে ধৃত আসামী জুয়েলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।