সোমবার ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

সাপাহারে জাল দলিলে প্রতারণার মাধ্যমে জমি দখলের অভিযোগ…

আপডেটঃ ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:-নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের মধ্য রামকৃষ্ণবাটি মৌজার ৩একর ৬২ শতক,জমি আদল পুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো: রিয়াজউদ্দিন(৪২),মিরা পাড়া গ্রামের আনেস আলীর ছেলে মোঃ তোফাজ্জল হোসেন,আন্দারদিঘী গ্রামের আতাউর এর ছেলে মোঃ সোবাহান (৫২),ফজিলাপুর গ্রামের মৃ আমজাদ আলীর ছেলে মোঃ তরিকুল মাষ্টার,দিঘীর হাট গ্রামের মৃত আঃ খালেকের ছেলে জালালউদ্দিন, কদমডাঙ্গা গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে মোঃ ছানাউল্লাহ(৫০)ও পোরশা গ্রামের নুরমোহাম্মদ শাহ্ ছেলে মাহমুদুল অন্যের জমির জালদলিল তৈরি করে প্রতারণার মাধ্যমে দখল করার অভিযোগ উঠেছে।
এব্যাপারে আদল পুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো: আনারুল হক জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে“খ” অঞ্চল,নওগাঁ নং ৩৫৩পি/২০১৯(সাপাহার) একটি জাল জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছেন ।
মামলার বর্ণনা এবং আনারুল কর্তৃক জানা যায় জেলা-রাজশাহী,থানা সাপাহার,মৌজা রামকৃষ্ণবাটি,জেএল নং ৯৫,প্রজার খতিয়ান আর এস ৫৫,দাগ নং আর এস ৩,৩০,৩১,৫৭ ও ৯০ মোট জমির পরিমান ৩একর ৬২ শতক পোরশার মৃ হাজি নুরুদ্দিন শাহ্র ছেলে সুলতান শাহ্,নুরুল ইসলাম শাহ ও আঃ আজিজ রেকডিও সম্পত্তির মালিক।রেকর্ডীয় মালিক সুলতান শাহ্ কোনো সন্তান ছিলো না।তিনি ফারাস ছাড়াই পুরো ৩একর ৬২ শতক ভাতিজি জয়নব ও ভাইবউ নাজমা এর নামে রেজিষ্টি প্রদান করেন।
বর্তমানে উক্ত ধূতবাজরা ঐ সম্পত্তি ১৯৭৫ সালে অন্য দুই ভাইয়ের নিকট হতে সুলতান শাহ্ নামে রাজশাহী সদর সাবঃরেজিষ্ট্রি অফিসে ২১০৬৮ নং দলিল তৈরী করেন যাহা ঐ অফিসের রেকর্ড রুমে সংরক্ষির নাই। ও ১৯৭৬ সালে সুলতানের নিকট হতে রেহেনা নামে জাল দলিল তৈরী করেন যাহা কোন প্রকার রেকর্ড ফাইলে পাওয়া যায়নি।পক্ষান্তরে আসল মালিকের নুরুল ইসলাম শাহ, আঃ আজিজ, নাজমা ও জয়নব এর ওয়ারিশ গনের নিকট হতে আনারুলের স্ত্রী কুরাইশ বিবি,ছেলে মাহাফজুর রহমান,জামাই আমিনুর ইসলাম ক্রয় করে ভোগ দখল করিতেছে কিন্ত এলাকার ঐ লম্পট চরিত্রের জালবাজরা তাদেরকে উচ্ছেদ করে জোর পূর্বক দখলের অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে। এমন কি এরা এলাকার জলডারা পযন্ত নিজেদের নামে জাল দলিল তৈরী করলে এলাকার লোকজন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করলে তারা দখল ছেড়ে দেয় বলে জানা যায়,এদের জালদলিলের অত্যাচারে এলাকার লোকজন প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।