সোমবার ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা মারতে দ্বিতীয় দফা চিরুনি অভিযান রোববার শুরু হচেছ দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত করতে খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই —————- মেয়র আতিকুল

আপডেটঃ ১:২৯ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা মারতে দ্বিতীয় দফা চিরুনি অভিযান আগামী রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু করা হবে। আগের মতোই প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে এই অভিযান চালানো হবে।মেয়র বলেন, দেশের যুব সমাজকে মাদক মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত করতে খেলা ধুলা ও মাঠের কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ক্রমে আমি কাজ করে যাচিছ। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমাযুন রোড সংলগ্ন খেলার মাঠের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র একথা বলেন।
এসময় ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে ঢাকা ১৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো: সাদেক খান, ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: মিজানুর রহমান সহ ডিএনসিসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেদখল হওয়া সব মাঠ পুনরায় খেলার ধুলার যোগ্য করে গড়ে তুলতে নির্দেশ দিয়েছেন । আমরা সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ক করতে বদ্বপরিকর।
তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ক্রমে এ ধরনের ২৪টি মাঠ উন্মুক্ত করা হবে। যুব সমাজকে মাদক মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত করতে খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই। সবাইকে ঘর থেকে বেরিয়ে মাঠে আসতে হবে। বেদখল জায়গা উদ্ধার করে জনগণকে ফিরিয়ে দেবো।
এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এখানে আধুনিক মাঠ করে দেয়া হবে। খেলার মাঠের পাশাপাশি এখানে জিমনেসিয়াম ও আধুনিক বাথরুমের ব্যবস্থা করা হবে। এটি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনাদের। সেই সঙ্গে মাঠ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি কমিটিও করে দিতে হবে।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধ কল্পে গত ২৫ আগস্ট থেকে চিরুনি অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। ১২ দিনের সেই অভিযানে ৩৬টি ওয়ার্ডে সর্বমোট এক লাখ ২১ হাজার ৫৬০ বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে এক হাজার ৯৫৭ বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পায় ডিএনসিসি।
এছাড়া ডিএনসিসি’র চলমান অভিযানে ৬৭ হাজার ৩০৬ বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশ বিস্তার উপযোগী স্থান-জমে থাকা পানি পাওয়ায় স্থানগুলো ধ্বংস করে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয়।