শনিবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

এক দানবীরের কথা——————- শাহরাস্তির বড় মসজিদ -বাইতুল মামুর জামে মসজিদ

আপডেটঃ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

শাহরাস্তি (চাঁদপুর) থেকেঃ তিনি প্রকাশহীন, প্রচার বিমূখ এক মহা দানবীর। এমন মানুষ বর্তমান সময়ে খুঁজে পাওয়া অনেক কষ্টকর। যিনি আত্ম মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন উজাড় করে। তিনি তাঁর সম্পদ থেকে অকাতরে দেশ ও জাতির কল্যাণে দান করে যাচ্ছেন।
তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার আয়নাতলী গ্রামের নুরুল ইসলাম। যাঁর জীবনময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম নিজ ভূমিতে এবং নিজ অর্থায়নে ফরিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এছাড়া চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জায়গা দান করেন। অসহায় মানুষের সহযোগিতা ছাড়াও নিজ জায়গায় উপজেলার সর্ববৃহৎ একটি মসজিদ তৈরী করেছেন। বাইতুল মামুর জামে মসজিদটি বিশাল জায়গার উপর বহুতল ভবনে নির্মিত। যা বর্তমানে শাহরাস্তি উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ এবং সর্ববৃহৎ একটি মসজিদ।
জানা যায়, এই মসজিদটি ২৪ শতক জায়গার উপর নির্মিত হয়েছে। সামনে রয়েছে প্রায় ৩০ শতক জায়গা। যেখানে দুটি বহুতল ভবন নির্মিত হবে। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটির একমাত্র মিনারটির উচ্চতা ১শ ৮৫ ফুট আর এক সাথে ওই মসজিদে ১২শ মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর বলেন, প্রকৌশলী নুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম এই মসজিদটি এলাকার মানুষের চাহিদা পূরণসহ গর্বিতও করেছে। শাহরাস্তিতে মান সম্পন্ন ও দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি স্থাপন করায় মুসল্লিদের আগ্রহতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি উক্ত মসজিদের ভূমি দাতা ও অর্থ বিনিয়োগকারী  প্রকৌশলী নুরুল ইসামের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু  করেন।

আয়নাতলী বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শাহজাহান বলেন, প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম এলাকাবাসীর স্বার্থে বেশ ক’টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
তার মধ্যে অন্যতম ফরিদ উদ্দিন  উচ্চ বিদ্যালয়। প্রায় দু’বছর আগে আয়নাতলী বাজারে নিজ জমিতে ও নিজ অর্থায়নে নির্মাণ করেছেন এক বড় মসজিদ। এটি সর্বদিক দিয়ে শাহরাস্তি  উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদী।

এলাকাবাসী বলেন, এই বৃহৎ মসজিদটিই আয়নাতলীবাসীর সন্মান বয়ে আনবে। আমরা এমন একটি আল্লার ঘরে নামাজ আদায় করবো যা এর আগে কখনও ভাবিনি। আল্লার অশেষ রহমত এবং প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সার্বিক দানে এমন কার্যটি সম্ভব হয়েছে। তারা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সুস্বাস্থ্য  ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।