সোমবার ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

এবার চার লেন হচ্ছে শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়ক…

আপডেটঃ ১:৫৯ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সব জাতীয় মহাসড়ক চারলেন করার কাজ শুরু করে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। ইতোমধ্যে বেশ কিছু জাতীয় মহাসড়কগুলোর চারলেন করার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। এর সুফল ভোগ করছে দেশের সাধারণ মানুষ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছাড়াও ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কও ইতোমধ্যে চারলেনের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। জাতীয় মহাসড়কের পাশাপাশি এবার দেশের আঞ্চলিক সড়কও চারলেন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ও দুর্ভোগের অবসান ঘটবে, অন্যদিকে এ জেলার অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সামষ্টিক উন্নতির পথ আরও প্রশস্ত হবে।
২০১৫ সালে শেরপুরসহ চার জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত হওয়ার পর থেকে বিশেষ করে বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের লিখিত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেই দাবিতে যোগ হয় নতুন মাত্রা। পরিষদের তরফ থেকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং সড়ক যোগাযোগ ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব নজরুল ইসলামসহ বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকের এক সভায় ময়মনসিংহ (রঘুরামপুর)-ফুলপুর-নকলা-শেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-৩৭১) নামে বৃহৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্যমতে, ওই প্রকল্পের আওতায় শেরপুর-ময়মনসিংহ ভায়া ফুলপুর-নকলা আঞ্চলিক মহাসড়কটি ফোরলেনের কাছাকাছি প্রায় ৩৬ ফুট প্রশস্ত করা হবে। এর মধ্যে শেরপুর সড়ক বিভাগের আওতায় ৩০.৪০ কিমি. ও ময়মনসিংহ সড়ক বিভাগের আওতায় ৩৭.৮৬ কিমি. সড়কসহ মোট ৬৮.২৬ কিমি. সড়ক রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৫৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে শেরপুরের সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ‘শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করা বিষয়ে ইতোমধ্যে একনেকের সভায় অনুমোদন হয়েছে। এটিই মূলত প্রধান কাজ ছিল। এখন পদ্ধতিগত ধারাবাহিকতায় প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় নেয়া হবে। আশা করছি পরবর্তী দু’এক মাসের মধ্যে ফান্ড বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে সড়কের দু’পাশের গাছপালা নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পাশাপাশি দরপত্র আহ্বান করা হবে।’