শনিবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

বহু সৌদি সেনা আটকের দাবি হুথি বিদ্রোহীদের..

আপডেটঃ ৫:৩০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সীমান্ত অঞ্চলে এক অভিযানের সময় বিপুল সংখ্যক সৌদি সেনা আটক করেছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। একজন হুথি মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদি শহর নাজরানের কাছে সৌদি সেনাদের তিনটি ব্রিগেড আত্মসমর্পণ করেছে।

হুথি মুখপাত্র কর্ণেল ইয়াহইয়া সারেয়া বলেছেন, কয়েক হাজার সৈন্য আটক করা হয়েছে এবং অনেকে নিহত হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় মাপের অভিযান। সৌদি সেনাবাহিনী বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সেনা সদস্য হারিয়েছে। খবর বিবিসির।

তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি। যাদেরকে আটক করা হয়েছে তাদের প্যারেড রবিবার হুথি নিয়ন্ত্রিত আল মাসিরা টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

হুথিদের দাবি, ১৪ই সেপ্টেম্বর সৌদি তেল শোধনাগারে তারা হামলা চালিয়েছিল, যার ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির পাশাপাশি সৌদি আরবও ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে- যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান।

২০১৬ সালে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আবদ্রাব্বু মনসুর হাদি ও তার মন্ত্রীসভা হুতিদের কারণে রাজধানী সানা থেকে পালাতে বাধ্য হন। সেসময় থেকেই যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইয়েমেনে। এরপর থেকে হুথিরা ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকা দখল করে রেখেছে।

সৌদি আরব প্রেসিডেন্ট হাদিকে সমর্থন করে এবং ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক দেশগুলোর সমন্বয়ে তাদের বিরুদ্ধে চলমান বিমান হামলার নেতৃত্ব দেয়। যৌথ বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে হুথিরা সৌদি আরবে মিসাইল নিক্ষেপ করে।

এই গৃহযুদ্ধের ফলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ইয়েমেন। মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষ বা প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। এদের মধ্যে প্রায় ১ কোটি মানুষ জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের জন্য সম্পূর্ণভাবে ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল।