সোমবার ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

আজ মহাসপ্তমী

আপডেটঃ ১১:৫৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৫, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। ষষ্ঠী পেরিয়ে আজ মহাসপ্তমী। উৎসবপ্রিয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মেতে উঠেছে পূজার আনন্দে।

বলা হয়ে থাকে, ষষ্ঠী যদি পূজার প্রিমিয়ার হয়- তাহলে সপ্তমী পূজার শুরু৷ শাস্ত্রমতে পূজার শুরুটা মহাসপ্তমীতেই। অবশ্য সে অপেক্ষায় থাকেননি ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। ষষ্ঠী থেকে বেজে গিয়েছে পূজার ঘণ্টা৷ মণ্ডপে মণ্ডপে ছড়িয়ে পড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। শহরজুড়ে আলোর রোশনাই৷ রাতভর শুধুই ঠাকুর দেখা৷

মহাসপ্তমী সপরিবারের মা দুর্গার পিতৃগৃহে প্রবেশের দিন৷ দেবীর নবপত্রিকাস্নান ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা দিয়ে দিনের মুখ্য আচার শুরু হয়েছে৷ এতদিন পরে বাপের বাড়ি ফিরেছে মেয়ে৷ সুতরাং শুচি শুদ্ধ না করে মেয়েকে কি ঘরে তোলা যায়৷ তা না হলে অমঙ্গল হবে যে৷ তাই ভোর হতেই শুরু হয় যায় নবপত্রিকা স্নান৷ একে একে হয়েছে মহাস্নান, অষ্ট কলস স্নান, আবাহন, চক্ষুদান, প্রাণ প্রতিষ্ঠা৷ তারপর পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ৷ ঢাকের আওয়াজ৷

সে অনুযায়ী, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সপ্তমী পূজার রীতি মেনে নবপত্রিকা (কলাবউ) স্নানের পর শুরু হয়েছে দুর্গার আরাধনা৷ এরপর ঘট বসিয়ে সঙ্কল্প৷ ফলনের দেবী হিসেবে মহা‌সপ্তমীতে দুর্গাপূজা হয়। অন্যান্য আরও ৮টি গাছের সঙ্গে বেল গাছের শাখা কেটে রাখা হয়। বলা হয়, ষষ্ঠীর রাতে এই বেল গাছের শাখাতেই দেবী নেমে এসেছিলেন ও সারা রাত বিশ্রাম নিয়েছিলেন। এই নয়টি গাছের শাখাকে স্নান করিয়ে পূজার জায়গায় নিয়ে আসা হয় এবং এর পরেই মাটির প্রতিমায় হয় প্রাণ প্রতিষ্ঠা।

মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বোলে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার বইছে। দেশের হাজার হাজার পূজামণ্ডপ এখন উৎসবে মাতোয়ারা।

আগামীকাল মহাষ্টমী। প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ মিশনে মহা অষ্টমীতে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা। পাঁচ দিনের শারদ উৎসব শেষ হবে ৮ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে।

শাস্ত্র বলছে, এবার সপ্তমী, অর্থাৎ দেবীর আগমনের দিন শনিবার এবং ফেরার দিন মঙ্গল হওয়ায় দুর্গা এবার আসছেন ঘোটকে বা ঘোড়ায় চেপে, একই বাহনে তিনি ফিরবেন।