বৃহস্পতিবার ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

পলিথিনের বিকল্প হিসেবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাথে কার্বন বাংলার চুক্তি…

আপডেটঃ ১১:৫০ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন – : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে পলিথিনমুক্ত ও শুন্য আবর্জনা মুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর মধ্যকার সমঝোতা চুক্তির স্মারক সাক্ষর করা হয়।  সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর মধ্যকার সমঝোতা স্মারক সাক্ষর হয়েছে । এই সমঝোতা স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে শুন্য আবর্জনা শহরে রূপান্তর করা। উক্ত সমঝোতায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর পক্ষ হতে সাক্ষর করবেন এস এম সোহরাব হোসেন , এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জোনাল এক্সেকিউটিভ অফিসার এবং কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর পক্ষ হইতে সাক্ষর করবেন জনাব লেঃ সাইফুল আলম পাইকার (এক্স) বিএন । এছাড়া ও আে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ৪৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ ফারুক আহম্মেদ,৩৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মনির সহ ভিবিন্ন ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর বৃন্দ। কার্বন বাংলা এমিশন অফসেট লিমিটেড এর সিউ লেঃ সাইফুল আলম পাইকার বলেন একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পরিবেশ দূষণ রোধ। বিশ্বব্যাংক এর সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণের ফলে বার্ষিক ক্ষতি ৫২০০০ কোটি টাকা। পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের দেশে মৃত্যুর হার ২৮%।পরিবেশ দূষণের অন্যতম মাধ্যম প্লাষ্টিক ও পলিথিন দ্রব্য এর ব্যবহার ২০০২ সালের পরিবেশ আইন এর গেজেট দ্বারা নিষিদ্ধ হলেও আজ পর্যন্ত এর সঠিক প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়নি।
পরিবেশ দূষণ রোধ ও আধুনিক পরিবেশ বান্ধব মডেল ব্যবহার করে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে বায়ো ইকোনমি ইনফ্রাসট্রাক্চার গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে।সেই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর সিটিকে পরিবেশ বান্ধব শিল্প নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট সুদূরপ্রসারী কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পলিথিন নিষিদ্ধ এবং পলিথিনের বিকল্প হিসেবে সহজেই পচনশীল বায়োব্যাগ ব্যবহারের উদ্যোগে বায়ো ব্যাগ উৎপাদনে কারখানা স্থাপনে কাবর্ন বাংলা ইমিশিন অফসেট লিমিটেড ও নরওয়ের বায়োব্যাগ ইন্টারন্যাশনা কোম্পানি বাংলাদেশে পচনশীলপলিথিন কারখানা স্থাপনে প্রযুক্তি হস্তান্তর করে সহযোগিতা করে যাবে।
তিনি আর ও বলেন আমরা জানি পলিথিন ও প্লাাস্টিক বর্জ্য আমাদের পরিবেশ ও নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এবং আমাদের জনজীবনের স্বাথ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভবিষ্যতের বসবাস উপযোগী নগর হিসেবে গড়ে তুলতে গাজীপুর সিটি করপোরেশন এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে এবং পরিবেশ সচেতনায় ও বায়োইকোনমি প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে কাজ করে যাওয়া কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট বায়ো সারকুলার অপ্রোচ পদ্ধিতি চালুর মাধ্যমে গাজীপুর সিটিকে শুন্য আবর্জনার শহর ও পরিবেশ বান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাবে। যার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে থাকবে জনগণকে পলিথিনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে পলিথিন নিষিদ্ধ আইন গাজীপুর সিটিতে কার্যকর করা ও পলিথিন ম্যাপিং এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পলিথিন এর পরিমান নির্ণয় করা। জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে পচনশীল বায়ো পলিথিন ব্যবহার জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং পাচনশীল বায়ো পলিথিন উৎপাদনে শিল্পকারখানা স্থাপনে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে চালু করতে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট লিমিটেড সার্বিক সহযোগিতা করে যাবে। জনাব সাইফুল আলম পলিথিনের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তার গবেষনা পত্রের কিছু অংশ তুলে ধরেন, তিনি বলেন পলিথিনের বর্তমানের মাত্র বাজায় থাকলে ২০৫০ সাল নাগাত সাগরে সুমদয় মাছের স্টকের চেয়ে মানুষ্যবর্জিত বিভিন্ন সাইজের পলিথিনের স্টকের সংখ্যা বেশি হবে। এবং পলিথিন ব্যবহারে স্বাথ্য ঝুঁকির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আমাদের পরিবেশ ও স্বাথ্যের হুমকি মোকাবেলায অতিদ্রত সমাধান হিসেবে বায়ো ইনফাস্ট্রাকচার স্থাপনের মডেল তুলে ধরেন। বায়ো ইনফাস্ট্রাকচার মডলে স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি উৎপাদন, শিল্পকারখানায় বায়ো জ্বালানির ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান করা। পরিবেশ দূষণের ফলে আমাদের খাদ্য চক্র দূষিত হয়ে পরছে। স্বাস্থ্য সেবার খরচ দিনকে দিন বেড়েই চলছে। সারা দেশের প্রতিদিন মানুষ স্বাস্থ্য সেবার পিছনে ছুটছে। তাই সার্বিক অর্থনৈতিক ক্ষতি ও পরিবেশের ক্ষতি এবং আমাদের স্বাস্থ্য ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে অতিদ্রত বাংলাদেশের মধ্যে গাজীপুর সিটিকে বায়ো ইকোনমির মডেল হিসেবে তুলে ধরা যা আমাদের বৈষিক পরিচিতি ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রাখবে। গাজীপুর সিটির ওয়স্টে ওয়াটার ব্যবহার করে ড্রেনের পানিতে অ্যালগলি চাষের মাধ্যমে পানিদূষণ রোধ করবে। বায়োগ্যাস ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবহারেরর মাধ্যমে শিল্পকারখানাগুলিকে পরিবাশন্ধব করা এবং বায়োপ্লান্ট থেকে প্রাপ্ত আবর্জনা জৈব সার হিসেবে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহার আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে মাটি দূষণ রোধ করে পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সর্বপুরি গাজীপুর সিটিতে পরিবেশ বান্ধব এবং বায়োইকোনমির সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে কার্বন বাংলা ইমিশন অফসেট লিমিটেড সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি সহযোগিতা প্রধান করবে।
বায়ো ইকোনমি ইনফ্রাস্ট্রাকচার বায়ো সার্কুলার অ্যাপ্রোচ আমাদের আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন কর্মসংস্থান , টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে গাজীপুর সিটি হবে যার মডেল এই বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কার্বন বাংলা ইমিশনের নির্বাহী জনাব সাইফুল আলম পাইকার।