সোমবার ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

কুষ্টিয়ায় নিজ গ্রাম কুমারখালীর রায়ডাঙ্গায় বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন….

আপডেটঃ ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ০৯, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন – : কুষ্টিয়ায় নিজ গ্রাম কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় গ্রামের কবরস্থানে তৃতীয় জানাজা শেষে সাড়ে ১০টায় আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও এলাকার কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেয়। এসময় এলাকাবাসী হত্যাকারীদের দ্রুত সর্বচ্চ শাস্তির দাবীতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নির্দেশে জানাজায় খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত ও জয়ন্ত কুমার কুন্ডু ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সুষ্ঠুভাবে আবরার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

ঢাকায় দায়ের হওয়া মামলায় লাগলে তারা সহযোগীতা করবেন। এর আগে ভোর ৬টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে নিজ বাসভবনের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমানসহ দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীরা অংশ নেয়।এর আগে রাতে প্রথম জানাজা শেষে ঢাকা থেকে আবরার মরদেহ কুষ্টিয়ায় বাড়ীতে পৌছালে বাড়ীতে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। লাশের অপেক্ষারত স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মা-বাবাসহ পরিবার পরিজনের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সবাই সুষ্ঠ তদন্তে নির্মম এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান।নিহত আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ জানান, এইচএসসিতে দেশের টপ ২০ এর মধ্যে ছিল আবরার। সে পড়ালেখা ছাড়া কিছু বঝতো না, কোন রাজনৈতিক দলের সাথে তার সম্পৃক্ততা ছিল না। তবে হত্যাকারীদের সর্বচ্চ শাস্তিসহ কি কারনে এই হত্যাকান্ড সেই বিষয়ে জানতে চান তারা। নিহত আবরার রায়ডাঙ্গা গ্রামের ব্রাকের সাবেক কর্মকর্তা বরকতউল্লাহ ছেলে। সে বুয়েটের ইলেকট্রিক এন্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগ ২০১৭/১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে (২১) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের নিচতলা থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ময়না তদন্ত শেষে সোমবার রাত ১০টায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।