বুধবার ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

কুষ্টিয়ার মিরপুরের ছাতিয়ানে পৈত্রিক সম্পত্তির দখল নিতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বাঁধা….

আপডেটঃ ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ২০, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার -: কুষ্টিয়া -: কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তির দখল নিতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগি ছাতিয়ান গ্রামের নূর উদ্দিন মন্ডল ও তার পরিবারের অভিযোগ স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী টাকা নিয়ে জোরপূর্বক তাদের নিজ নামীয় জমি অন্যদের দখলে দেওয়ার পায়তারা করছে। বিষয়টি নিয়ে বেশকিছুদিন ধরে আলাপ আলোচনা হলেও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্তেও তারা জমি দখলে পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। তথ্যনুসন্ধানে জানা যায়, ছাতিয়ান গ্রামের মৃত আরশেদ মন্ডলের ছেলে নুর উদ্দিন মন্ডল ও তার শরিকদেও মধ্যে শরিকানা সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা ও দখল নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশে চলতি অক্টোবর মাসের ৫ তারিখে উভয়পক্ষের সম্মতিতে নুর উদ্দিন মন্ডল ও তার উত্তরসূরীরা ৮০ শতাংশ জমি পাবেন বলে সিধান্ত হয়। এসিধান্তে উভয়পক্ষ সম্মতিসূচক সাক্ষরও করেন। এই গ্রাম্য শালিশের পর হঠাৎ করে সিধান্ত পরিবর্তন করে আবুল কালাম আজাদ। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বগা বিশ্বাস মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে শালিশের সিধান্ত পরিবর্তন করতে কুটবুদ্ধি দিয়েছেন। আবুল কালাম আজাদকে ভূয়া কাগজপত্র তৈরী করে দিয়ে দাবি করেন আবুল কালাম আজাদের কাগজপত্র বৈধ। কিন্তু আবুল কালাম আজাদ যে কাগজের বলে জমির মালিকানা দাবি করছেন তা সম্পূর্ন তৈরী করা কাগজ। আর এবিষয়ে স্থানীয় বগা বিশ্বাস মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আবুল কালাম আজাদকে এই সকল কাগজপত্র তৈরী করে দিয়েছেন অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মাতব্বর বগা বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি এবিষয়ে কিছু জানি না। অর্থের বিনিময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ স্থানীয় মাতব্বর বগা বিশ্বাস এবং মিরপুর থানার এসআই আশরাফুল ইসলাম মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্বেও ভুক্তভোগি পরিবারকে কৌসলে জমির মালিকানা ও দখল বুঝে নিতে বাধা দিচ্ছেন।
বিষয়টি নিয়ে মিরপুর থানার এসআই আশরাফুলের ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যক্তিগত নাম্বারটি বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগি এবং স্থানীয়দের দাবি অসহায় পরিবারটির সকল বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্বেও এলাকার এক শ্রেণীর অর্থলোভী মাতব্বর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করতে পায়তারা করছে। যা বন্ধ না হলে এলাকার সাধারণ মানুষ ফুঁসে উঠবে।