সোমবার ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২রা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

বঙ্গবন্ধু মানে সোনার বাংলাদেশ ————— বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী

আপডেটঃ ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ০১, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্বা স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানে আমাদের সোনার বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে নতুন প্রজন্মের তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। তাদেরকেই সোনার বাংলাদেশ বানাতে হবে। তারাই আগামীতে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রহী ভুমিকা পালন করবে এবং নেতৃত্ব দিবে। আমরা এখন তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছি।
বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। আমরা তার স্বপ্ন বাস্তবায়ক করতে রাত দিন পরিশ্রম করে যাচিছ। আমরা মহামানবের কথা কোন দিন ভুলবো না। ভুলতে পারিনা। এছাড়া আমাদের অন্য কোন কাজ নেই।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর অদূরে সাভারের আশুলিয়া দত্তপাড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি স্থায়ী ক্যাম্পানে অনুষ্ঠিত ’’ ড্যাফোডিল ইলেক টেল কার্নিভাল’’-২০১৯ এর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রথান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিসেস হোসনে আরা বেগম,এনার্জি প্যাকের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার রেজওয়ানুল কবির।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য ড. ইউসুফ মাবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্ক্তব্য রাখেন প্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. সামছুল আলম, রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক, স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডীন প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল ও ড্যাফোডিল ’’ইলেক টেল কার্নিভাল ২০১৯ এর আহবায়ক প্রফেসর ড. এ কে এম ফজলুল হক প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্বা স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, বর্তমান সরকার দিন বদলের যাত্রা শুরু করার কারণে দেশ অনেকটাই বদলে গেছে। আমাদেরকে আরও সামনের দিকে এগাতে হবে। পিছনের দিকে তাকানোর আরও কোন সময় নেই।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্বের সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারা বাংলাদেশের মানুষকে এক সাথে করেছিলেন। এই বাঙ্গালীর শরীরে তেজ আছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ নতুন কোন ঘটনা নয়- ২০২১ কে আমাদেরকে কাজে লাগাবে হবে।
আমরা কেন তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করছি উল্লেখ্য করে ইয়াফেস ওসমান বলেন, এতে করে আমাদের কাজের সময় বাড়া বরং গতি কমে না। দেশে ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে। এতে করে দেশ উন্নত হবে আরও এগিয়ে যাবে। বর্তমান সরকার নিষ্ঠার সাথে দেশ উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচেছন।
বিঞ্জান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, ২০০৯ সালের দিকে ৪ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতো। সেখানে ২০১৯ দেশে ১৪ থেকে ১৫ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন।
তিনি বলেন, দেশটা টু তৈরী হয়ে আছে। ৩০ লাখ বীর শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরী করার জন্য এই সময়টাকে আমাদেরদেরকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ঞ্জান হল বড় সম্পদ। এটি চর্চায় বেড়ে যায়। ঞ্জান চর্চাও পাশাপাশি আমাদেরকে আইটি চর্চাও করতে হবে।
শেখ হাসিনা সরকারের সার্বিক উন্নয়ন ও সফলতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও জাতিরজনকের সুযোগ্য কণ্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা দেশে বড় বড় কাজ করতে পারেন। বড় বড় কাজের উদ্যোগ নিতে পারেন। তার কোন বিকল্প নেই।
আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্বা স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, বিএনপি নেতারাই র্দুলের সার- তাই তারা সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকী ও হুশিয়ারী দিচেছন।
শুভেচছা বক্তব্যে ’’ইলেক টেল কার্নিভাল ২০১৯ এর আহবায়ক প্রফেসর ড. এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি স্থায়ী ক্যাম্পানটি প্রায় ১০ একর জায়গার উপর গড়ে উঠেছে। ইতি মধ্যে ৬৪টি বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট তৈরী করা হয়েছে। ২০০৯ সালে স্থায়ী ক্যাম্পাস তৈরী করা হয় এবং ২০১০ সালে তার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটিতে দেশী বিদেশী প্রায় ২৩ শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছেন। ৭০০ জন শিক্ষক ও ২৭৯জন গার্ড কর্মরত রয়েছে।
এর আগে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্বা স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ফুলের শুভেচছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পরে তিনি ড্যাফোডিল ’’ইলেক টেল কার্নিভাল’’-২০১৯ এর শুভ উদ্বোধনী করেন এবং স্টল ঘুরে দেখেন।
আজ শনিবার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটিতে দিন ব্যাপী এ কার্নিভাল আইডয়া, কনটেস্ট, প্রজেক্ট প্রদর্শনী, জব ফেয়ার, ইন্ডাষ্ট্রি ও ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনা, ওয়ার্কসপ, সাইন্স অলিম্পিয়াড, প্যানেল ডিসকাশন, পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।