সোমবার ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২রা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

থাই সরকার ও ব্যবসায়ীদের -বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান..

আপডেটঃ ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯

নিউজ ডেস্ক – চ্যানেল সেভেন – : থাইল্যান্ড সরকার ও সেখানকার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কৃষিপ্রক্রিয়াজাত-সহ অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল। বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে।

থাই বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবধরনের সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে থাইল্যান্ডের প্রযুক্তি ব্যবহারের সহায়তা চান তিনি।

সোমবার কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের অফিস-কক্ষে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অরুণরাং ফোটোং হামফ্রেস সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড দুই দেশই কৃষির ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল এবং কৃষিক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তির আদান প্রদানের অনেক সুযোগ আছে।

কৃষি ও খাদ্যপ্রক্রিয়াজাত খাতে থাইল্যান্ডের উন্নতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, থাইল্যান্ড বাংলাদেশকে এক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, থাইল্যান্ড পর্যটন ও চিকিৎসা-সেবায় এগিয়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে পারে। ইতোমধ্যে থাইল্যান্ডের বিপুল সংখ্যাক বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের ইচ্ছা পোষণ করেছেন। অনেকেই বিনিয়োগ করেছেন। থাইল্যান্ডের পণ্য ও সেবার প্রতি বাংলাদেশিদেরও আগ্রহ রয়েছে।

থাইল্যান্ডকে ভিসা জটিলতা দূর করতে আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে বহু পর্যটক থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করে। যদি ভিসার সমস্যা সমাধান করা যায় তাহলে দুই দেশের বাণিজ্যক আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি দেশ। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে ৩২ টি থাই কোম্পানি বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগ করেছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ দেশ।

ভিসাজটিলতা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিদিন ৮০০ আবেদন জমা পড়ে। আমাদের লক্ষ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা। যথাযথ কাগজপত্র না থাকা ও ভিন্ন মাধ্যমে আবেদনের কারণে ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ হয়।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন- থাই অ্যাম্বাসির ফার্স্ট সেক্রেটারি কালথিরা কুমপিরোচানা।