শুক্রবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

শাহজালালে ৭২ পিস সোনার বার সহ -এক যাত্রী আটক…

আপডেটঃ ২:০৬ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

এস.এম.মনির হোসেন জীবন ॥ ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের মোট ৭২ পিস ৪৫০ গ্রাম সোনার বার সহ এক যাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তারা । আটককৃত ওই যাত্রীর নাম হিমেল খান। জব্দকৃত সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৪ কোটি সাড়ে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। জিঞ্জাসাবাদ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত যাত্রী হিমেল খানকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এঘটনায় তার বিরুদ্বে কাস্টমস এ্যাক্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দরে গ্রিন চ্যানেল এলাকা থেকে এসব সোনা উদ্বার করা হয়।
ঢাকা কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার মো: সাজ্জাদ হোসেন আজ মঙ্গলবার সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সোমবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইনের ফ্লাইট (ইকে-৫৮৪) নম্বরের উড়োজাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (দুবাই থেকে) ঢাকায় এসে অবতরণ করে। আরও ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন হিমেল খান। তার আসন নম্বর ছিল ০৫এ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে সোনা পাচারের খবর পেয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে কঠোর নজরদারি করতে থাকেন। পরে রাত ১২টার দিকে ওই ফ্লাইটে আসা যাত্রী হিমেল খান বিমানবন্দরে নেমে গ্রিনচ্যানেল পার হবার পর তার গতিবিধি লক্ষ্য করে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ কর্মকর্তারা তাকে জিঞ্জাসা করে তার কাছে সোনা আছে কি না । তখন সে তার কাছে কোন সোনা নেই বলে অস্বীকার করেন। পরে কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং তল্লাশি করা হলে তার পিঠের ব্যাগ থেকে ৮ কেজি ৪৫০ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। যার মধ্যে ৭২ পিস সোনার বার ও ৪৫০ গ্রাম স্বর্ণালংকার রয়েছে। এসময় সোনা পাচারের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। জব্দকৃত সোনার বাজার মূল্য প্রায় ৪ কোটি সাড়ে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
মো: সাজ্জাদ হোসেন আরও জানান, প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে যাত্রী হিমল খান দুবাই থেকে সোনা আনার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে আজ দুপুরে বিমানবন্দর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিষয়ে কাস্টমস আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
এদিকে,আজ বুধবার দুপুরে বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নূরে আযম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
ওসি আরও জানান, আজ দুপুরে মামলার আসামীকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাকে আগামীকাল সকালে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে আদালতে পাঠানো হবে।