শুক্রবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের প্রচেষ্ঠায় গুম হয়ে যাওয়া ব্যাক্তিকে -জীবন্ত উদ্ধার….

আপডেটঃ ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

শেখ রাজীব হাসান- টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরে দেড় বছর পর রহস্যজনক ভাবে অপহরন ও গুম গুম হয়ে যাওয়া মোঃ শফিকুল হাসান(৩৫) কে উদ্ধার করেছে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ।
এঘটনায় আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের পর থেকেই পুলিশের সন্দেহের তির ছিলো শফিকুল হাসানের ভাই রাকিবুল হাসান শিমুলের উপর। এরই ধারাবাহিকতায় টঙ্গী পশ্চিম থানার এ এস আই আতোয়ার ও এস আই সুমনের অক্লান্ত পরিশ্রমে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গত শুক্রবার বিকাল ৫ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সু-কৌশলে শফিকুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, শফিকুল হাসান(৩৫) বিগত ২০০৮ইং সালে মোছাঃ রাশিদা বেগমকে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিবাহ করিয়া গাজীপুরের টঙ্গী খাপাড়া এলাকার (৫১ নং ওয়ার্ড) বসবাস করছিলেন। উভয়ে গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। তাদের তাসনুভা ইসলাম মীম নামে ছয় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রতিদিনের মতো শফিকুল হাসান বাড়ী থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গেলেও সে রাতে বাড়ীতে না ফেরায় স্ত্রী রাশিদা বেগম তার মুটোফোনটি বন্ধ পেয়ে তার দেবর রাকিবুল ইসলাম শিমুলকে ফোন দিয়ে জানায় তার স্বামী এখনো বাড়ীতে আসেননি। এ বিষয়ে দেবর রাকিবুল হাসান তাকে কোন প্রকান সহানুভুতি না দেখিয়ে বাশিদা বেগমকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় এবং বলে তোমরা আমার ভাইকে অপহরণ করিয়েছো, খুন করে গুম করে ফেলেছো। এবং টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, গত ৫ই মার্চ ২০১৮ইং তারিখে আনুমানিক রাত ১১,৩০ ঘটিকার সময় মোঃ রাকিবুল হাসান শিমুল (২৮), পিতাঃ মোঃ আবদুল হামিদ সাং- থানা রোড, থানাঃ ঝিনাইগাতি, জেলাঃ শেরপুর, বাদী হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় ১। রাশেদা বেগম(২৫), পিতাঃ মোঃ বাচ্চু মিয়া, ২। মোঃ বাচ্চু মিয়া(৬০), পিতাঃ ময়েজ উদ্দিন, ৩। মোছাঃ লতিফা বেগম(৫৫), স্বামী- মোঃ বাচ্চু মিয়া, ৪। মোঃ লুৎফর রহমান (২৩) পিতাঃ মোঃ বাচ্চু মিয়া, ৫। মোছাঃ বাছেদা বেগম (২১), পিতাঃ মোঃ বাচ্চু মিয়া, ৬। নুর আলী (২৫), পিতা- ফকির মাহমুদ, ৭। জহুর আলী (২২), পিতা- ফকির মাহমুদ, সর্ব সাং- কাওয়াপেচি, পোষ্ট- খড়খড়িয়া, থানা- শেরপুর সদর, জেলা- শেরপুর, উভয়ের বিরুদ্ধে (ধারা- ৩৬৪/৩৪ পেনাল কোড এ খুন, গুম ও অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় পরিবারের সকল সদস্যদের আসামী করে মামলা করায় তাদের সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে দাবী করেন স্ত্রী রাশিদা বেগম। তারা বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি প্রশাসনের নিকট।