শনিবার ৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

দুপচাঁচিয়া পৌর নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী জাহাঙ্গীর মেয়র নির্বাচিত..

আপডেটঃ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ | জানুয়ারি ১৪, ২০২০

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বগুড়া -:বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ) বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি পেয়েছেন, ৬ হাজার ৬৫৬ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র বেলাল হোসেন (জগ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪২ ভোট।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী এনামুল হক রানা (নৌকা) তৃতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন, ১ হাজার ২৯ ভোট।
সোমবার সন্ধ্যায় রিটার্নিং অফিসার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ ফলাফল ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং অফিসার মাহবুব আলম শাহ জানান, দুপচাঁচিয়া পৌরসভায় শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৯টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হয়।
তিনি জানান, মোট ১৬ হাজার ৭৬৩ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৩ হাজার ৬৬১ জন ভোটার। ভোট প্রদানের হার ৮১.৬৭ শতাংশ।
মেয়র পদে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী আহম্মেদ আলী (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন মাত্র ৩৩৪ ভোট।
সকালে দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকার ডিএস মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা গৃহবধূ আঞ্জুমান আরা বেগম, মৌসুমী আকতার, শাপলা বেগম, মাসুমা আকতার, গৌরি রানী ও আরতী রানী, দুপচাঁচিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে নাছরিন সুলতানা, ইউনিয়ন ভুমি অফিস কেন্দ্রে নাহিদ জোয়ারদার, আদরী খাতুন এবং প্রাণিসম্পদ অফিস কেন্দ্রে কুইন আকতার প্রমুখ জানান, এই প্রথন ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিলেন। মেশিনে ভোট দেয়া যতটা কঠিন ভেবেছিলেন ততটা নয়। ভোটকেন্দ্রের পরিবেশও খুব ভালো ছিল। কোনো বিশৃঙ্খলা নেই। তারা ইচ্ছেমতো পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছেন।
নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর জয়লাভ ও আওয়ামী লীগ প্রার্থীর তৃতীয় হওয়া প্রসঙ্গে সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন, বিএনপির মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম আগেও দুইবার মেয়র ছিলেন। তার পক্ষে জেলার দায়িত্বশীল নেতারা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। জাহাঙ্গীরকে শুধু বিএনপি নয়; জোটসঙ্গী জামায়াত ও সাধারণ ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন। সে তুলনায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী এনামুল হক রানার প্রচারণা খুব সীমিত ছিল। স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র বেলাল হোসেন ও তার লোকজন সাধ্যমতো প্রচারণা চালিয়েছেন।
মেয়র পদে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত দু’জন প্রার্থী থাকায় ভোটাররা বিপাকে পড়েন। তাদের ভোট শুধু আওয়ামী লীগ প্রার্থী এনামুল হক রানার পক্ষে নয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগে যোগদানকারী বেলাল হোসেনকেও ভোট দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের ঘরনার ভোট ভাগাভাগি হয়ে যাওয়ায় বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হন।