রবিবার ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ইঞ্জি:ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা ও রায়হানের নেতৃত্বে রোযা রেখে অসহায় কৃষকদের পাশে ছাত্রলীগ …

আপডেটঃ ১১:৪০ অপরাহ্ণ | মে ০৬, ২০২০

রাফিউ হাসানঃ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ( কোভিড-১৯) রোধে সারা দেশের মানুষ যখন ঘরবন্দী, প্রাণের ভয়ে শ্রমিকেরা ও গৃহবন্দী। শ্রমিক সংকটে পাকা ধান কাটতে না পারা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সারা দেশের কৃষকরা।সারা দেশের ন্যায় চাঁদপুরের সর্বত্র এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। শুধু তাই নয় ধান কাটাও শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা। তবে করোনা মহামারীতে দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট।
‘কৃষক বাঁচলে-বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের মনিটরিং এ সারাদেশে কৃষকের ধান কাটছেন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।তারই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরেই চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগ এর নির্দেশে বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকদের ধান কেটে দিচ্ছেন জেলা-উপজেলার নেতা-কর্মীরা।

এদিকে জেলার শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দঃ ইউনিয়ন এর টামটা, কুলশি সহ কয়েক গ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, কলেজ, মাদ্রাসা ও স্কুল পড়ুয়া ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গ্রামের যারা শ্রমিক পাচ্ছেন না, এই সব অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন ১২/১৫ জন তরুণ প্রজন্মের ছাত্রলীগ কর্মীরা। গেল সপ্তাহব্যাপী এর পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮৩ শতক জমি। পবিত্র মাহে রমজানে রোযা রেখে এ কাজের যৌথ নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছাত্রলীগ নেতা ইঞ্জি. মো. ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা ও মোঃ তানজিজুল আজিজ রায়হান। সহযোগীতা করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগ নেতা মোঃ লিয়াকত হোসেন মিয়াজী সুমন, বোরহান উদ্দিন মিয়াজী, সাইদুল ইসলাম রিমন, ফিরোজ আহমেদ, ইব্রাহীম খলিল মোহন, মোঃকামরুজ্জান, সাব্বির, মাসুদ, নাবিদ, সাইফুল ও আকাশ প্রমূখ। 
অসহায় কৃষকের পাশে এসে ধান কেটে দিয়ে ইঞ্জি. মো. ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা বলেন, আমরা করোনা পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনায় ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের নিদের্শনা বাস্তবায়ন সর্বোপরি আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক প্রিয় সাংসদ মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম মহোদয়ের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত (শাহরাস্তি – হাজীগঞ্জ) বাস্তবায়নে শ্রমিক সংকটে থাকা আমাদের নিজ গ্রামের সবচেয়ে বেশি গরীব কৃষক টাকার জন্য যারা শ্রমিক নিতে পারছে না, আমরা তাদের জমিতে ধান কেটে দিচ্ছি, বাড়িত পৌঁছে দিচ্ছি, মাড়াইসহ খড় শুকানোর কাজ করছি। আমাদের এই কার্যক্রম চলমান শ্রমিক সংকট শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ ।