বৃহস্পতিবার ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

শপিং মলের সামনে ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মৃত্যুঝুঁকি আছে’ লেখা ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ…

আপডেটঃ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ | মে ০৭, ২০২০

নিউজ ডেস্ক -: দেশের প্রতিটি শপিংমল ও বিপণি বিতানের সামনে ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মৃত্যুঝুঁকি আছে’—লেখা ব্যানার টাঙানোসহ বেশ কিছু নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা থেকে পুলিশের আইজি, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসারের মহাপরিচালককে এই চিঠি দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, সরকার দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলাসমূহে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট ও শপিং মল আগামী ১০ মে থেকে সীমিত আকারে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাট-বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিং মল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। তবে ফুটপাতে বা প্রকাশ্যস্থানে হকার, ফেরিওয়ালা ও অস্থায়ী দোকানপাট বসতে দেওয়া যাবে না। প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। মাস্ক পরিধান ছাড়া কোনও ক্রেতা দোকানে প্রবেশ করতে পারবেন না। সব বিক্রেতা ও দোকান কর্মচারীকে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস পরতে হবে। প্রতিটি শপিংমল ও বিপণী বিতানের সামনে সতর্কবাণী হিসেবে ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মৃত্যুঝুঁকি আছে’—লেখা ব্যানার টাঙাতে হবে।

এতে বলা হয়, আন্তঃজেলা, উপজেলায় যোগাযোগে জনগণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এক উপজেলার লোক অন্য উপজেলায় এবং এক জেলার লোক অন্য জেলায় চলাচল করতে পারবে না। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। আগের মতো জরুরি পরিষেবা কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, রফতানিসামগ্রী, ওষুধ ইত্যাদি পরিবহন কাজে সড়ক ও নৌপথে যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকবে। সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আসন্ন ঈদের ছুটিতে সবাইকে নিজ নিজ এলাকা ও কর্মস্থলে থাকতে হবে এবং আন্তঃজেলা, উপজেলা ও বাড়িতে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারগণ আলোচনা করে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব ভাগ করে দেবেন।