বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

কেন্দুয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে শিক্ষিকা স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ

আপডেটঃ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ | জুন ০৫, ২০২০

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী চৌধুরী কাজলের বিরুদ্ধে পরকিয়ার জের ধরে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বুধবার সন্ধ্যায় লিয়াকত আলী চৌধুরীর স্ত্রী কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। লিয়াকত আলী চৌধুরী কাজল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ন মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।
অভিযোগে জানা গেছে, পরনারীতে আসক্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে লিয়াকত আলী চৌধুরী স্কুল শিক্ষিকা স্ত্রীকে নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন করছেন। লিয়াকত আলী চৌধুরীর স্ত্রী গন্ডা ইউনিয়নের পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। প্রায় ১২ বছর ধরে তার স্বামী তাকে ভরন পোষন করেন না। উল্টো বেতনের টাকা উঠানোর পর জোর করে প্রতি মাসে নিয়ে যান। এক মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে নানান যন্ত্রনার মধ্যে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু পরনারীতে আসক্ত হয়ে পরিবারের সদস্যদের উপর লিয়াকত আলী চৌধুরী কাজলের অত্যাচার উৎপীড়ন দিন দিনই বেড়ে চলছিল। তার পরকিয়ায় বাধা দিলে বেপরোয়া হয়ে পরিবারের সদস্যদের মারপিট করেন। গত বুধবার শিক্ষিকাকে মারপিট শুরু করেন লিয়াকত আলী চৌধুরী। এ সময় তার মেয়ে বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েকেও মারপিট করেন তিনি। মা ও মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে।
কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী চৌধুরী কাজল বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ন মিথ্যে ও ভিত্তিহীন। পুলিশ অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখুক।
কেন্দুয়া উপজেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক কল্যানী হাসান বলেন, লিয়াকত আলী চৌধুরী কাজলের স্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন- তার স্বামী একাধিক মহিলার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। এ জন্য তাকে প্রায়শই নির্যাতন করেন। এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। আমি একজন নারী হিসেবে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করছি।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, পরকীয়ার কারনে লিয়াকত আলী চৌধুরী কাজলের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পারওয়া গেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।