মঙ্গলবার ২০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

ঢাকা ১৮ আসনের উপ-নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে এস.এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের আলোচনা মানুষের মুখে মুখে…

আপডেটঃ ৮:৩৬ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৮, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৮ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বি.এন.পি সহ মোট ৮টি দল নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। কিন্তু গত ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামীলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ইন্তেকাল করায় আসনটি শূন্য হয়। নির্বাচনের নীতিমালা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের কথা রয়েছে। এই আসনটি তুরাগ, দক্ষিনখান, উত্তরখান, ডুমনী, ভাটারা, উত্তরাপূর্ব ও উত্তরা, খিলক্ষেত থানা এলাকার সিমানাগুলো নিয়ে ঘটিত। এই উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে একক প্রার্থী হিসাবে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ -সভাপতি এস.এম. জাহাঙ্গীর হোসোনের নাম সকলের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে কোন নির্বাচন আসলে দলের একাধিক নেতাকর্মী নিজেকে প্রার্থী হিসাবে পেতে চান। কিন্তু রাজনৈতিক ময়দানে তাদের অবদান যতটুকু সেটা দল নির্বাচন করবে। আমি তৃনমূল থেকে উঠে আসা রাজনীতিবিদ। রাজনীতি আমার নেশা নয়, রাজনীতি আমার পেশা। আমি ফুলটাইম রাজনীতি করি, পার্ট টাইম রাজনীতি করি না। আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করে নেতাকর্মী তৈরি করে বর্তমানে আমি দলের কাছে মনোনয়নের আশাবাদী। দলের সিদ্বান্ত চূড়ান্ত সিদ্বান্ত। আমার বিরুদ্ধে ২৪৭ টি মামলা রয়েছে। যা আমি হাইকোট থেকে সব কয়টি মামলার জামিন নিয়েছি। এই উপনির্বাচনকে সামনে রেখে, সরকারের যতরকমের পরিকল্পনা রয়েছে তার মোকাবেলায় আমাদের নেতাকর্মীরা অত্যান্ত সুগঠিত। জনগনের জন্য প্রয়োজনে আমরা জীবন উৎসর্গ করবো। জনগনের যে কোন প্রয়োজনে আমি তাদের পাশে আছি এবং সব সময় থাকবো। তিনি আরাে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসহ, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস দমন ও দুনীর্তি নির্মূল করে সমাজকে একটি শান্ত ও সুন্দর সমাজ উপহার দিতে চাই। সকলের কাছে আমি দোয়া প্রার্থী।