বুধবার ৩রা মার্চ, ২০২১ ইং ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

পদ্মার তলদেশে ‘অস্বাভাবিক’ কিছুর সংকেত!

আপডেটঃ ৫:৫০ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৯, ২০১৪

  1. মাওয়া ঘাট এলাকা থেকে: মাওয়া ঘাটের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ধাতব পদার্থের একটি ইমেজের সন্ধান পেয়েছে পিনাক শনাক্ত করতে কাজ করা চট্টগ্রাম বন্দরের সার্ভে ভেসেল জরিপ-১০। ধারণা করা হচ্ছে এটি পিনাকই হতে পারে। তাই ডুবুরি নামানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার দুপুরে জরিপ-১০ পানির ২২ মিটার তলদেশে এ ইমেজের সন্ধান পায়। এটি ভেঙে যাওয়া অবস্থায় দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মঞ্জুর এটি জানিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তলদেশে পাওয়া ইমেজ আরও ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এটি পিনাকের হতেও পারে।প্রবল স্রোতের কারণে ডুবুরি নামানো দেরি হতে পারে।

ডুবে যাওয়া লঞ্চের অবস্থান জানতে পদ্মায় ৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় চার দিন ধরে নিষ্ফল তল্লাশির পর মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় উদ্ধার অভিযানে শুক্রবারই যোগ দেয় জরিপ-১০ আকারে ছোট হলেও এর কার্যক্ষমতা বেশি। চলার পথে দুই পাশে প্রায় ৩শ’ মিটার পর্যন্ত স্ক্যান করতে পারে। পাশাপাশি পানির নিচে পলিমাটি ও কাদামাটিতে ৭০ মিটার এবং বালি মাটিতে ১৮ মিটার গভীর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ চালানোর ক্ষমতা রয়েছে। তল্লাশি অভিযানে জরিপ-১০ এর সঙ্গে আছে টাগ বোট কাণ্ডারি-২, অনুসন্ধান জাহাজ সন্ধানী, তিস্তা ও নৌবাহিনীর এলসিটি-০১২। – See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/313440.html#sthash.BfT8BqDK.dpuf

মাওয়া ঘাট এলাকা থেকে: মাওয়া ঘাটের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ধাতব পদার্থের একটি ইমেজের সন্ধান পেয়েছে পিনাক শনাক্ত করতে কাজ করা চট্টগ্রাম বন্দরের সার্ভে ভেসেল জরিপ-১০। ধারণা করা হচ্ছে এটি পিনাকই হতে পারে। তাই ডুবুরি নামানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার দুপুরে জরিপ-১০ পানির ২২ মিটার তলদেশে এ ইমেজের সন্ধান পায়। এটি ভেঙে যাওয়া অবস্থায় দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মঞ্জুর এটি জানিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তলদেশে পাওয়া ইমেজ আরও ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এটি পিনাকের হতেও পারে।প্রবল স্রোতের কারণে ডুবুরি নামানো দেরি হতে পারে।

ডুবে যাওয়া লঞ্চের অবস্থান জানতে পদ্মায় ৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় চার দিন ধরে নিষ্ফল তল্লাশির পর মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় উদ্ধার অভিযানে শুক্রবারই যোগ দেয় জরিপ-১০ আকারে ছোট হলেও এর কার্যক্ষমতা বেশি। চলার পথে দুই পাশে প্রায় ৩শ’ মিটার পর্যন্ত স্ক্যান করতে পারে। পাশাপাশি পানির নিচে পলিমাটি ও কাদামাটিতে ৭০ মিটার এবং বালি মাটিতে ১৮ মিটার গভীর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ চালানোর ক্ষমতা রয়েছে। তল্লাশি অভিযানে জরিপ-১০ এর সঙ্গে আছে টাগ বোট কাণ্ডারি-২, অনুসন্ধান জাহাজ সন্ধানী, তিস্তা ও নৌবাহিনীর এলসিটি-০১২। – See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/313440.html#sthash.BfT8BqDK.dpuf