বুধবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মদনে চাঁদা না পেয়ে দোকানঘর ভাঙচুর ও লুটপাট…

আপডেটঃ ৭:৩৪ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ Md. Habibur Rahman -: নেত্রকোনার মদন উপজেলার জনতা বাজারে  চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল দশটার দিকে অভিযুক্তরা জনতা বাজারে ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়।
অভিযুক্তরা হলেন, মোহাম্মদ আজিজুল পাচআলমশ্রী লাল মামুনের ছেলেও নায়েকপুর ইউনিয়নের বিএনপির সহ-সভাপতি, বিএনপি নেতা হাবিবুর পিতা রইচ উদ্দিন, ইউনিয়নের বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মিল্টন পিতা রঙ্গিলা মাষ্টার, নায়েকপুর ইউনিয়নের সেক্রটারী, আকাব্বর আলী ও নায়েকপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সেক্রেটারী মানু মিয়া  পিতা জহির উদ্দিন নওয়াগাও গ্রামের বাসিন্দা।জমি বিক্রেতা সাথে কথা বলে জানা যায়,   জনতা বাজার ৩৩২৯ দাগে ২৬ শতক জায়গার মধ্যে ৪ শতক জায়গা বিক্রি করি  আমি  মানিক মিয়া,চাঁদা দাবির কথা জানতে চাইলে মানিক মিয়া চাঁদার কথা স্বীকার করেছেন  মানিক মিয়া,তিনি আরও বলেন চাঁদা না দেওয়ায় ভাঙচুর হয়েছে আমার ঘর সহ । ক্রয় সূত্রে এই জায়গার মালিক হয়েছেন মাখনা গ্রামের সোহেল খান, আবুল ইসলাম ও শরিফুল আনোয়ার। ক্রয়কৃত জায়গার মধ্যে মালিকগণ সেমিপাকা ঘর নির্মাণ কাজ করছেন। ঘরের কাজ করতে গেলে তাদের নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে মর্মে কাজে বাধা দেন। এরই সূত্র ধরে গতকাল জনতা বাজারে সালিশ বৈঠক করেন। স্থানীয় লোকজন এ সালিশ বৈঠকে মীমাংসা না হওয়ার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকালে ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়।

অভিযুক্ত আকবর আলি ও মানু মিয়া ঘর ভাঙচুর এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মাখনা গ্রামের জনতা বাজারের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ করার কারণে এলাকা মানুষ উত্তেজিত হয়ে ঘর ভাঙচুর করেছে। চাঁদার ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান রোমান জনতা বাজারে ঘর ভাঙচুরের ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।
মদন থানার ওসি মাসুদুজ্জামান জানান, জনতা বাজারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে শুনে থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।