রবিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

অপহরণের ঘটনায় মামলা জামিনে এসে আবারও অপহরণের অভিযোগ..

আপডেটঃ ১:১৯ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ২১, ২০২১

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই ছাত্রীর সন্ধানের জন্য পার্বতীপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী (ডায়েরী নম্বর-৫৯৯, তারিখ-১৩/০৩/২১ইং) করেছেন পিতা শ্রী বিপুল চন্দ্র রায়। সে রাজাবাসর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।
ডায়েরী সূত্রে জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলার মনমথপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর বাবুপড়া এলাকার শ্রী বিপুল চন্দ্র রায় এর কণ্যা (১৫) গত ১২ মার্চ বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য সকল আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও সন্ধান মেলেনি তার।

উল্লেখ্য, গত বছর ২৩ মে সন্ধ্যা ৭টায় একইভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ওই শিক্ষার্থী। এঘটনায় শ্রী বিপুল চন্দ্র রায় বাদি হয়ে ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত দিপু চন্দ্র রায় (১৯) সহ ৭ জনকে আসামী করে পার্বতীপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এর ৬ দিনের মাথায় নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের দুহুলী গ্রামের মামলার প্রধান অভিযুক্তের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় দিপু চন্দ্র রায়কে (১৯) গ্রেপ্তারের পর জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

নিখোঁজ ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, জেল হাজতে থাকা আসামী দিপু চন্দ্রের বয়স বিবেচনা করে ২৮/০৬/২০ ইং তারিখ হতে ২৬/০৭/২০ পর্যন্ত এবং সর্বশেষ ২১/১০/২০ ইং তারিখ পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন জামিনে মুক্তি দেন আদালত। এর পর থেকেই আসামী দিপু চন্দ্র রায় বিভিন্ন সময়ে মামলা তুলে নিতে নানা প্রকার হুমকি দিয়ে আসছিলো। তারই প্রেক্ষিতে পার্বতীপুর মডেল থানায় আরও একটি সাধারণ ডায়েরী করেন (ডায়েরী -৪৩১, তারিখ-১২/১০/২০ইং) ওই শিক্ষার্থীর পরিবার। ক্ষিপ্ত হয়ে আসামী দিপু পুনঃরায় তার মেয়েকে অপহরণ করেছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন পিতা শ্রী বিপুল চন্দ্র রায়। এ ঘটনায় মেয়ের সন্ধান ও আসামী দিপুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার পরিবার।

সাধারণ ডায়েরী করার বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান বলেন।