বুধবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

ট্যুরিস্ট পুলিশের সহযোগিতায় ময়মনসিংহে ‘পর্যটন শিল্প সমবায় সমিতি’ এর শুভ সূচনা…

আপডেটঃ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ | মার্চ ২৫, ২০২১

প্রেস বিজ্ঞপ্তি-: পর্যটন শিল্পের বিকাশে নতুন ধারণার সূচনা হলো ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানাধীন চাড়িপাড়া গ্রামে । এ এলাকার প্রধান পর্যটন আকর্ষণ ব্রহ্মপুত্র নদ, কৃষি, স্থানীয় খাদ্য, ঘাটু গান, আঞ্চলিক ভাষা, জীবনধারা ইত্যাদি। পর্যটনের সম্ভাব্য ধরণ কৃষি পর্যটন, খাদ্য পর্যটন, সাংস্কৃতিক পর্যটন, জলাভূমি পর্যটন, জীবনধারা পর্যটন, স্থাস্থ্য পর্যটন, কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন ইত্যাদি। বাংলাদেশে কমিউনিটি ভিত্তিক কোন পর্যটন গ্রাম নেই। কিন্তু ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন গ্রাম আছে। স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমে ০২ বছরের মধ্যে একটি গ্রামকে পর্যটন গ্রামে রূপান্তরিত করা যায়। এ লক্ষ্যে বুধবার প্রস্তাবিত বারবাড়িয়া পর্যটন শিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড এর প্রাক-নিবন্ধন প্রশিক্ষণ ও আলোচনা অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয়। জনাব মোঃ নিজাম উদ্দিন, এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব এম এ মাজেদ, অতিরিক্ত পরিচালক(যুগ্ম সচিব), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগ, এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ, ময়মনসিংহ রিজিয়ন, প্রফেসর ড. মোঃ আখতার হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ, ড. জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক, বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট, মোঃ তাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গফরগাঁও সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটির প্রধান আলোচক ছিলেন জনাব মোহাম্মদ মশিউর রহমান, যুগ্ম-নিবন্ধক, বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়, ময়মনসিংহ। জনাব মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, সংগঠক, বারবাড়িয়া পর্যটন শিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড এর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনাব মোঃ আবুল কাশেম, চেয়ারম্যান, ২নং বারবাড়িয়া ইউপি ।

পর্যটন স্পট ও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধানে ২০১৩ সালে ট্যুরিস্ট পুলিশ তার যাত্রা শুরু করে। জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক গৃহীত সকল কার্যক্রমে ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত আছে। ময়মনসিংহ বিভাগে জুলাই ২০২০ হতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, ময়মনসিংহ রিজিয়ন কার্যালয় স্থাপিত হবার পর থেকে এ কার্যক্রম আরও বেগবান হয়েছে।

গ্রামকে পর্যটন শিল্পের আওতায় আনতে হলে কৃষি, খাদ্যসম্পদ, বাণিজ্যিক, গ্রামীণ শিল্প, লোকশিল্প, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানব সম্পদ, শিক্ষাগত, টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন এবং বিলুপ্তপ্রায় সম্পদ সংরক্ষণ জোরদার করতে হবে। বারবাড়িয়ায় পর্যটন গ্রাম গড়ে তোলা হলে এখানে বহু দূর দূরান্ত হতে পর্যটকদের সমাগম ঘটবে। ফলে একদিকে যেমন পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ঘটবে তেমনি স্থানীয় অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। পুলিশ সুপার ট্যুরিস্ট পুলিশ, ময়মনসিংহ রিজিয়ন মহোদয় তার বক্তব্যে, বারবাড়িয়ায় পর্যটন গ্রাম গড়ে তোলার জন্য সব রকমের নিরাপত্তা, আইনী সেবা এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।