বুধবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মিঠাপুকুরে নৌকার মাঝি হয়ে ৬ নং কাফ্রিখাল ইউনিয়ন বাসির পাশে থাকতে চায় খলিলুর রহমান..

আপডেটঃ ৩:৪১ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ২৬, ২০২১

মিলন- বিশেষ প্রতিনিধি:- :- মিঠাপুকুর উপজেলার আসন্ন ০৬নং কাফ্রিখাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় শীর্ষে খলিলুর রহমান। খলিলুর রহমান পিতাঃমৃত হবিবর রহমান সরকার, গ্রাম- যাদবপুর, মিঠাপুকুর, রংপুর। তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মক্তিযোদ্ধার অন্যতম সংগঠক সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য। ১৯৭২ সাল হইতে ১৯৭৮ পর্যন্ত কাফ্রিখাল ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৭৯ সাল হইতে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত মিঠাপুকুর থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক। ১৯৮৬ সাল হইতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কাফ্রিখাল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০০৯ সাল হইতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সিনিয়র সহ-সভাপতি। ২০১৭ সাল হইতে কাফ্রিখাল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।
খলিলুর রহমান দীঘদিন যাবত বিভিন্নভাবে সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে কাজ করিয়া আসিতেছে। এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশীদারিত্ব অপরিসিম। উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করে আসছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে এলাকার সাধারণ জনগণের মুখে একটি নামেই আলোচনায় আসছে। তা হলো খলিলুর রহমান। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক বিবেচনা করলেই আসন্ন নির্বাচন ঘিরে মানবতার একটি নামেই সবার মুখে মুখে। ছাত্র জীবনে জন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসতেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও প্রতিবন্ধিদের সহযোগীতার হাত বাড়ান। ব্যক্তি জীবনে তিনি নিরলস পরিশ্রমি।
সরেজ জমিনে গিয়ে জানা যায়, আলীপুর গ্রামের নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক খলিলুর রহমান সব-সময় গরীব ও অসহায় মানুষকে সাহায্য করেন। আসন্ন ০৬নং কাফ্রিখাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সৎ যোগ্য হিসাবে খলিলুর রহমান( রাজা) ভাইয়ের তুলনা হয় না।
কুমরগঞ্জ বাজারের শাহিন মিয়া জানান, ব্যক্তি হিসাবে খলিলুর রহমান যোগ্য প্রার্থী তাকে সবাই ভালোবাসেন ও শ্রদ্ধা করেন। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চায়ের দোকানে পাড়ায় ও মহল্লায় আলোচনায় ঝড় উঠেছে। সবার একটি কথা সৎ যোগ্য প্রার্থী গরীব মানুষের পাশে দাড়াবে এমন ব্যক্তির প্রয়োজন। আজ আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে। তাই দেশের অগ্রগতি দেশকে সুষ্ঠ এবং সুন্দরভাবে গড়ে তোলা এবং পরিচালনার জন্য সমাজকে তৈরী হতে হবে। গ্রামের মানুষের শিক্ষা দীক্ষার মাধ্যমে জাগিয়ে তুলে তাদের জীবন মান উন্নত করাই তার কাজ। তাদের দুঃখ দুর্দশা ক্ষুধা দারিদ্রতা থেকে মুক্তি দিয়ে স্বনির্ভর করে তুলতে হবে। তাই এলাকার মুল নীতি অবলম্বন করে। উন্নয়নের দায়িত্ব পালন করাই তার লক্ষ।
ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক এবং উদীয়মান চেয়ারম্যান হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।