মঙ্গলবার ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

ফুলপুর-তারাকান্দা উপজেলায় হতদরিদেধর কর্মসৃজন প্রকল্পে মহা হরিলুট। প্রশাসন নির্বিকার

আপডেটঃ ৬:৫০ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৪, ২০১৪

এ যেন দেখার কেউ নেই তারাকান্দা থেকে তৌকির আহম্মেদ শাহীন ॥ ময়মনসিংহ উপজেলার ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলার অতিদরিদধদের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কর্মসূচি বা ̄—বায়নের নামে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন ̈ এলাকার রা ̄—াঘাট সং ̄‹ারের বিভিন্ন প্রকল্প দিয়ে কৌশলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। এসব প্রকল্পে শধমিক নিয়োগ থেকে শুরু করে বা ̄—বায়ন এবং ব ̈াংক থেকে শধমিকের মুজুরী উত্তোলনের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন অনিয়ম ও লুটপাট হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে দৈনিক জনতার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে নানা রকম অনিয়মের ভয়াবহ চিত্র। যানা যায়, অতিদরিদধ লোকজনকে এ কর্মসূচির বিভিন্ন প্রকল্পে শধমিক হিসাবে
তালিকাভূ৩ করে প্রকল্পে কাজ করার নিয়ম থাকলেও তা করা হয়নি। এসব প্রকল্পে শধমিক হিসাবে ইউপি চেয়ারম ̈ান ও ইউপি সদস ̈দের নিকটআত্মীয় বা কাছের লোকজনকে শধমিক হিসাবে নাম নিবন্ধনকরে বাইরের শধমিক দিয়ে চু৩িতে কাজ করানো হচ্ছে। আর নাম মাত্র কাজ করেই পুরো বরাদ্ধের অর্থ ভাগাভাগি করে পকেট ̄’ হচ্ছে। প্রকল্প বা ̄—বায়ন কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম ̈ান, ইউপি সদস ̈, ইউপি ট ̈াগ
অফিসার, ̄’ানীয় সোনালী, অগ্রনী, জনতা এবং ক…ষি ব ̈াংকের কতিপয় কর্মকর্তার যোগ সাজশে এসব মহা হরিলুট হয়েছে। এ ব ̈াপারে ব ̈াংক কর্মকর্তারা বলেন সকল কিছু ম ̈ানেজ করেই এসব দুর্নীতি চলছে । যেখানে ম ̈ানেজ নেই সেখানেই গোলযোগ। কাগজে কলমে শতভাগ কাজ দেখিয়ে, ভাগ ভাগি করে নিচ্ছে প্রকল্পের টাকা। উপজেরা পিআইও কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে থানার ২০ ইউনিয়নের ১শ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ১০ হাজার ৬ শত ৬৫ জন শধমিক, এসব প্রকল্প থেকে উপকার ভোগ করার কথা ছিল। আরো জানাযায়, গত ১ মে থেকে কাগজে কলমে প্রকল্পের কাজ শুরু করার কথা থাকলেও শধমিকদের জানানো হয়নি। এক্ষেত্রে সরকারের দেওয়া কোন নিতিমালাই মানেননি প্রকল্প চেয়ারম ̈ানার। সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতক্ষ ̈ ও পরোক্ষ সহযোগীতার অভিযোগ রয়েছে। শধমিক নিয়োগ, সভা হয়নি, শধমিকের তালিকা নোটিশ টানানো হয়নি। প্রকল্প এলাকার প্রকল্প ফিরিি ̄— ৬-১০ ফুট আকারে বিলবোর্ড ও সাইন বোর্ড টানোর নির্দেশ থাকলেও কোথাও খুজে পাওয়া যায়নি। ১ জন শধমিক দৈনিক ৩৮ ঘনফুট মাটি কাটাবেন, শধম মুজুরী পাবেন ২০০ টাকা। সর্দারী ভাতা ১৫০ টাকা পাবেন। একস১ে⁄২ ৫

দিনের শধমমুজুরী পরিশোধের কথা রয়েছে। কিন্তু এসব নির্দেশ বা ̄—বায়নে নেই। তথ ̈

অনুসন্ধানে, প্রকল্প ̧লোতে অতি দরিদধদের শধমিক তালিকায় কোন মহিলা বা পরুষ শধমিক
চধমব ১ ড়ভ ৩
চধমব ২ ড়ভ ৩

নেই। চু৩ি ভিত্তিক মাটিয়াল ১০-১২ জন শধমিক দিয়ে রা ̄—ার মাটি কাটার কাজ

চালানো হচ্ছে। তা দিয়ে বুঝা যায় ১০% কাজ সম্পন্ন হয়। ৯০% কাজ সংশ্লিষ্ট ব ̈৩িদের

ব ̈া৩িদের পকেট ̄’ থেকে যাচ্ছে। দেখা যায়, চলিত কর্মসূচীটি দ্বিতীয় পর্বের। প্রথম

পর্বের ইসু ̈ করা জবকার্ড ও ব ̈াংক থেকে শধমিকের হিসাবের বিপরীতে দেওয়া চেক

বই ইউনিয়ন কমিটির লোকজন আগে থেকেই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয়। কিন্তু

শধমিকদের প্রকল্প কাজে নিয়োগ করা হয়নি। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা তদারকি কর্মকর্তা প্রতক্ষ ̈

সহযোগীতার ভূয়া হাজিরা, জবকার্ডে ভূয়া কর্ম ফিরিি ̄—র বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে শধমিকদের চেকে একাধিক গ্রাম পুলিশ দিয়ে ̄^াক্ষর করে ব ̈াংক থেকে শধমিকের

টাকা তুলে নিচ্ছেন। প্রকল্প কমিটির লোকজন। অথচ কথা রয়েছে শধমিকদের ̄^শরীরে

ব ̈াংকে হাজির নিশ্চিত ও প্রচলিত ব ̈াংকিং নিয়ামাচার যথাযথ ভাবে পালন করতে হবে।

কিন্তু তা হচ্ছে না, ব ̈াংক ম ̈ানজাররা এ অর্থ পরিশোধে নিজেরাও দুর্নীতির অক্টোপাসে

জড়িয়ে পড়ছেন। কিন্ত জবকার্ড প্রাপ্ত শধমিকরা জানেন না কিভাবে তার হিসাবে

কর্মসৃজনের টাকা জমা হচ্ছে আবার উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কাকুরা ফাজিল মাদধাসার

এক শিক্ষক বলেন, আমার নামে টাকা আসে টাকা কোথায় যায়।

এদিকে ক…ষিব ̈াংকের ম ̈ানেজার অরবিন্দু বাবু বলেন, দেখেন দলীয় কর্মসূচী অনুযায়ী

চলতে হয়। তানা হলে, কি করব? তিনি আরও বলেন, সবাই যে ভাবে চলে সেভাবে চলতে হয়।

তারাকান্দার ইউপি চেয়ারম ̈ান বলেন আপনাদের জন ̈ও সমন্বয় করা হচ্ছে। একই ইউপি

(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সদস ̈ বলেন, আমরা ইউনিয়ন পায় ৫০% কার্ড, ৩৫% দলীয়

এবং ১৫% প্রশাসন তাহলে মাঠে আমরা কি কাজটা করব। এদিকে উপজেলা পিআইও

মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, মাঠেত কম বেশি কাজ হচ্ছেই এখন বর্ষাকাল। তবে তিনি

আর কোন তথ ̈দিতে রাজী হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র ̧লো জানায়,

কর্মসৃজন প্রকল্পের নূন ̈তম ̄^চ্ছতা ও জবাবদিহিতা নেই । সীমাহীন দূর্নীতির

হিমালয় হয়ে পড়েছে ̄’ানীয় কর্মসৃজন। পার্সেন্টেসের গ ̈াড়াকলে মোট বরাদ্ধ বন্টন

হচ্ছে। কর্মসৃজনের এখানে যে হরিলুটর রূপরেখা চলছে পর্যবেক্ষক মহল এটাকে মহা

দূর্নীতি বলে উল্লেখ করেছেন। জানা যায়, প্রতে ̈ক ইউনিয়নের ট ̈াগ অফিসার ও তদারকী

কর্মকর্তা রয়েছেন। তবে তাদেরকে মাঠে দেখা যায়না । একাধিক ইউপি চেয়ারম ̈ান

বলেন, পার্সেন্টেসের হিসাব অ ̄^ীকার করার মত না। এটা এখন ওপেন সিμেট। ওপরের

লেভেলের সবাই টাকা খাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে চলছে হরিলুট। অভিযোগ করে লাভ নেই, সবাই

আমরা সিস্টেমের কাছে জিম্মি। তারাকান্দা, কামারগাঁও, বানিহালা ও কামারিয়া এই

কয়েকটি ইউনিয়ন ছাড়া আর দেখা যায় না কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ।

একাধিক সূত্র বলছে, নীরবে নিভৃতে মহা দূর্নীতির মধ ̈ দিয়ে চলছে কর্মসৃজন

প্রকল্প। রাজনৈতিক নেতা, গন ̈মান ̈ ব ̈৩ি, ইউপি সচিব, ট ̈াগ অফিসার এবং ব ̈াংক

ব ̈ব ̄’াপক সহ সবাই জড়িত থাকার পরও কেন কোন ব ̈াপক অভিযোগ নেই। এ নিয়ে কারও

পক্ষে প্রতিবাদ করার সাহসও হয়ে উঠেনা। অনেকেই বলে উঠে ছোট খাট পত্রিকায় ও

ছোট খাট সাংবাদিক লিখে কি করবেন? লাভ নেই। এ বিষয়ে যেন দেখার কেউ নেই। এ

যেন সরকারের এক মহৎ প্রকল্প যে ভেে ̄— যাচ্ছে।

তৌকির আহম্মেদ শাহীন

প্রতিনিধি

তারাকান্দা, ময়মনসিংহ