শুক্রবার ৫ই মার্চ, ২০২১ ইং ২০শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা রাজিবপুর – মোহনগঞ্জ সড়কটি চলাচলের অযোগ্য

আপডেটঃ ৯:২২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৬, ২০১৪

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : আলতাফ হোসেন সরকার

রাজিবপুর-মোহনগঞ্জ সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে যানবাহন চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এমনকি মাঝে মধ্যে পায়ে হাটাচলাও মশকিল। প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী এ রাস্তায় চলাচল করলেও তাদের চলার একমাত্র রাস্তাটিতে বড় বড় গর্ত আর খানা-খন্দকে রাস্তাটি ভরে আছে। রিকসা-ভ্যান চলার কোন উপায় নেই। একটু বৃষ্টি হলেই মোহনগঞ্জ-রাজিবপুরের মাঝামাঝি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের বটতলা টোকমাথা বাজার থেকে ৩ কিলো কাঁচা রাস্তায় কাঁদাপানিতে পিচ্ছিল হয়ে যায়। তখন হেটে যাওয়ায় এক দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যাবার সময় আছাড় পড়ে বই-পুস্তকসহ জামা-কাপড় নষ্ট হয়।

রাজিবপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী রুনা খাতুন জানান, আমার বাড়ি টোকমাথা বাজারে নিকটে । প্রতিদিন স্কুলে যাবার সময় টোকমাথা বাজারে আশেপাশে পানি জমে থাকায় আমাদের স্কুলে যাবার পথে পা পিছলে কাদার মধ্যে পড়ে যাই। অথচ টোকমাথা বাজারের আধা কিলো উত্তরেই পাঁকা রাস্তা আছে। যদি দক্ষিণ দিকে ৩ কিলো রাস্তা পাকা করা হয় তাহলে আমার মত আর কোন শিক্ষার্থী রাস্তায় কাদার মধ্যে পড়ে জামাকাপড় নষ্ট হবে না।

মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু জানান, আসলে কাঁচা রাস্তায় মাটিতে বৃষ্টি হলে কাদো হয়ে যায়। আর মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের যাবতীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীরা রাজিবপুর সদরের সাথে যে রাস্তায় যাতায়াত করে মাঝে তিন কিলোমিটার রাস্তা দেওয়ানগঞ্জ  উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের মধ্যে পড়ে। সেই তিন কিলো রাস্তাই বেশি খারাপ হয়ে যায়। ইচ্ছা থাকলেও অন্য এলাকা হওয়ায় আমরা কিছু করতে পারি না। তিনি আরো বলেন, যদিও রাস্তাটি অন্য এলাকার কিন্তু আমাদের এলাকার লোকজন সব সময় ঔ রাস্তায় চলাচল করে। তাই রাস্তাটি পাকা করন অতিব জরুরী। পাঁকা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের দুর্ভোগ কমবে না। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রাজিবপুর সদরের সাথে একটি মাত্র যাতায়াতের রাস্তা মোহনগঞ্জ ও ডাংধরা ইউনিয়নবাসীর। ফলে যত দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা যায়, ততই মঙ্গল হবে এলাকাবাসীর জন্য।