বুধবার ৩রা মার্চ, ২০২১ ইং ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

গোবিন্দগঞ্জের গৃহবধু জান্নাতী ১মাস ধরে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ

আপডেটঃ ৯:৩৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৬, ২০১৪

গোবিন্দগঞ্জ(গাইবান্ধা) সংবাদদাতা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের তালুককানুপুর গ্রামের নিখোঁজ হওয়া গৃহবধু  জান্নাতী খাতুন (২০) এর এক মাস পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি। এঘটনায় জান্নাতী’র পিতা তালুককানুপুর গ্রামের জোনাব আলী আদালতে এবং স্বশুর একই গ্রামের আঃ রশিদ খন্দকার থানায় পাল্টা পাল্টি মামলা ও জিডি করেছে।gobindagonj  jannati photo -16-08-14

মামলা ও জিডি সূত্রে জানাযায়, উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের তালুককানুপুর গ্রামের আঃ রশিদ খন্দকারের পুত্র সজল খন্দকারের সাথে একই গ্রামের জোনাব আলীর কন্যা মোছা: জান্নাতী খাতুনের ০১-০৮-২০১১তারিখে ৪ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর দাম্পত্য কলহের কারনে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এর পর সজল ও জান্নাতীর মধ্যে আবারো সখ্যতা গড়ে উঠলে পুনরায় ১৪-১২-২০১২ তারিখে তারা পঞ্চাশ হাজার টাকা দেনমোহরে ২য় দফা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের হীরক পাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে তারা ঘর-সংসার করতে থাকে। এর মধ্যে ইংরেজী বিষয়ে অর্নাস ও মার্স্টাস সম্পন্ন করে সজল একটি বেসরকারী বিদ্যালয়ে যোগদান করে পাবনা টিটি কলেজে প্রশিক্ষনের জন্য যাওয়ার পূর্বে স্ত্রী জান্নাতীকে তার পিতা জোনাব আলীর বাড়ীতে রেখে যায়। ০৬-০৭-২০১৪তারিখে জোনাব আলীর বাড়ী থেকে জান্নাতী নিখোঁজ হলে সজলের পিতা আঃ রশিদ খন্দকার গোবিন্দগঞ্জ থানায় জিডি করে জান্নাতী নিখোঁজের জন্য তার পিতা জোনাব আলীকে দায়ী করেছে। অপর দিকে জান্নাতীর পিতা তার কন্যা নিখোঁজের জন্য সজলকে দায়ী করে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি সি,আর মামলা করেছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই ঢাকাস্থ নোটারী পাবলিক ১৪,কোট হাউজ ষ্টীট,ঢাকা-১১০০, এস এম মোস্তাক আহমেদ এডভোকেটের কার্যালয়ে গত ০৭-০৭-২০১৪ তারিখে মোছাঃ জান্নাতী খাতুন ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইনের ৮নং অডিন্যান্সের ৭(১) উপধারা মোতাবেক মোঃ সজল খন্দকারকে একতরফা তালাক প্রদান করে। রেজিঃ ডাক যোগে সজলের বরাবরে তালাকের ঘোষনা পত্র প্রেরন করলেও আজ পর্যন্ত জান্নাতির কোন সন্ধান পাননি বলে তার পিতা জোনাব আলী ও সজল জানান।