বুধবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মুস্তাফিজের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ !

আপডেটঃ ১২:৫৯ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৮, ২০১৬

ক্রীড়া ডেস্ক: টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানি’র বোলিং অ্যাকশনে বৈধতার সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য পরিশ্রম করতে হচ্ছে বিসিবি’কে। এরই মধ্য আবারও একই ঝড়ের আঘাত বাংলাদেশের ক্রিকেটে। টাইগার কাঁটার মাস্টার মুস্তাফিজের বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি পাওয়া গেছে।
বর্তমানে বিসিবি ঘরোয়া ক্রিকেটে বোলারদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বেশ সতর্ক।

এরফলে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বোলারদের এই ধরনের কোন সমস্যা থাকলে তা শনাক্ত করে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। তাই গত ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে চোখ রাখে বিসিবি। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দিনেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের তালিকায় নাম আসে চারজন বোলারের। আম্পায়াররা একে একে লিগে মোট ১১ জন বোলারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দেয় বিসিবিতে। এরপর বিসিবির গঠিত বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কিমিটি জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানিকে ছাড়া ১০ বোলারের ফুটেজ সংগ্রহ করে। এরপর দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের শেষে সোমবার তারা চূড়ান্ত করে বৈধ ও অবৈধ বোলারদের তালিকা।

যেখানে সাতজন বোলারের বোলিং অবৈধ বলে জানানো হয়েছে।
এবিষয়ে বিসিবি’র মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘আসলে এত স্বল্প প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে এতো দ্রুত বৈধ-অবৈধ নির্ণয় করা কঠিন বিষয়। এরপরও আমরা প্রত্যেকের ফুটেজ বারবার দেখছি। বিভিন্ন দিক থেকে তাদের অ্যাকশন দেখা হয়েছে। এদের মধ্যে আমরা তিনজনকে পেয়েছি যাদের অ্যাকশন বৈধ মনে হয়েছে। আর বাকি সাতজন আছে যাদের অ্যাকশন বৈধ নয়। তবে এদের মধ্যে ২-৩ জনের সমস্যা খুব একটা বেশি নয় বলে আমাদের মনে হয়েছে। আমরা আগামী ১৬ তারিখ আরো একবার যাচাই-বাছাই করে তালিকাটা প্রকাশ করতে পারবো। তালিকা প্রকাশের পরই যারা অবৈধ তাদের নিয়ে কাজ শুরু করবো।’
যদিও ওই বোলারদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে দেশের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিসিবি’র বিশ্বস্ত সূত্রে উল্লেখ করেন, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলা স্পিনার আসিফ আহমেদ রাতুল, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের স্পিনার মইনুল ইসলাম ও মোহামেডান ক্লাবের স্পিনার নাঈম ইসলাম জুনিয়র রয়েছেন সম্ভাব্য বৈধদের তালিকাতে। সূত্রটি জানায়, এই তিনজনের অ্যাকশনে তেমন কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি। এই তিনজনকে বাদ দিলে যারা থাকেন তারা হলেন, মুস্তাফিজুর রহমান (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), অমিত কুমার নয়ন (আবাহনী), রেজাউল করিম (প্রাইম দোলেশ্বর), মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ (কলাবাগান ক্রীড়া চক্র), নাঈম ইসলাম (মোহামেডান), ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স (মোহামেডান), সঞ্জিত সাহা (ব্রাদার্স ইউনিয়ন) ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন (সিসিএস)।