বৃহস্পতিবার ১৫ই এপ্রিল, ২০২১ ইং ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

‘সবার কর্মঘণ্টা আছে, কিন্তু পুলিশের কাজের সময় অসময় নেই’

আপডেটঃ ২:১৮ পূর্বাহ্ণ | আগস্ট ২০, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার:চ্যানেল সেভেন বিডি:

সব পেশার মানুষ নির্ধারিত সময়ে কাজ করে। কিন্তু পুলিশের কাজের কোনো সময় অসময় নেই। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিন-রাত কাজ করতে হয় বাহিনীর সদস্যদেরকে।

সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, ‘প্রচ- বৃষ্টি-ঝড় আর তাপদহের মধ্যেও পুলিশকে কাজ করতে হয়। সবাই যখন ইফতার করতে যায় পুলিশ তখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে এক গ্লাস পানি দিয়ে ইফতার করে।’

অনুষ্ঠানে রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে সুযোগ সুবিধা ও একটি আইসিইউ করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন ডিএমডি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘আমরা বীরযোদ্ধা হয়ে কাজ করব। যারা জনবিরোধী কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা কাজ করব।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ করে তুলেছিল রাজারবাগের পুলিশ সদস্যরাই। মুক্তিযুদ্ধে জয় হলেও দেশবিরোধী সেই ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। পুলিশ সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় কাজ করছে। জঙ্গিদের দমনে জীবনও দিচ্ছে।’

গত ১ জানুয়ারি গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিকে জঙ্গি হামলা ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ হারান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। আর ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে জঙ্গি হামলার চেষ্টা রুখতে গিয়ে প্রাণ দেন আরও দুই পুলিশ সদস্য।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘কেবল সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতাই নয়, ২০১৩ সালে হেফাজতের ষড়যন্ত্রও পুলিশের সদস্যরা সেটাও সফলভাবে মোকাবেলা করেছে।’

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থান নিয়ে কওমি মাদ্রাসকেন্দ্রীক রাজনৈতিক নেতাদের জোট হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা ব্যাপক তা-ব চালায়।

দেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা চালুর ১৩ দফা দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থানের ঘোষণা দেন সংগঠনের নেতারা। তবে রাতে পুলিশের নেতৃত্বে অভিযানে দখলমুক্ত হয় মতিঝিল এবং হেফাজতের কর্মীরা পরদিন ফিরে যান।

স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সভাপত্বি করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক। উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।