সোমবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ ইং ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

নিজাম হাজারীর এমপি পদ নিয়ে রায় ফের পেছাল

আপডেটঃ ৪:২৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৩, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফেনী-২ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর এমপি পদে থাকার বৈধতা প্রশ্নে দায়ের করা রিটের রায় আবার পিছিয়েছে। আগামী ৩০  আগস্ট পুনরায় রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।

আজ রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারিত দিন ধার্য ছিল। কিন্তু নিজাম হাজারী অস্ত্র মামলায় বিচার শুরুর আগে কতদিন হাজতবাস করেছিলেন সেই নথি পর্যালোচনার জন্য আদালত রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে দেন।

এর আগে গত ১৭ আগস্ট নিজাম হাজারীর এমপি পদের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্ট রায় না দিয়ে নিজাম হাজারী অস্ত্র মামলায় বিচার শুরুর আগে কতদিন হাজতবাস করেছিলেন এসংক্রান্ত নথি ২৩ আগস্টের আগেই হাইকোর্টের রেজিস্টারকে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়।

আজ সেই নোটিশের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ৩০ আগস্ট নির্ধারণ করেন।

গত ৩ আগস্ট উভয়পক্ষের শুনানি শেষ হয়।

আদালতে নিজাম হাজারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও নুরুল ইসলাম সুজন। আর রিটের পক্ষে শুনানি করেন কামরুল হক সিদ্দিকী ও সত্য রঞ্জন মন্ডল।

শুনানিতে নিজাম হাজারীর আইনজীবীরা আদালতে বলেছেন, কারাকর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন সঠিকভাবে দেওয়া হয়নি। এই প্রতিবেদন নিয়ে বিতর্ক আছে। নিজাম হাজারী পুরো সাজা খেটেই বের হয়েছেন। এ ছাড়া জনস্বার্থে এই রিট মামলা চলতে পারে না।

পরে রিটকারীপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, নিজাম হাজারীর সাজা খাটা নিয়ে বিতর্ক আছে-এটা নিশ্চিত। এখন কোর্টের দায়িত্ব হল আসলেই সে কতদিন সাজা খেটেছে, সাজা কম খেটেছে কি না সেটা বের করা, আর এ অবস্থায় তার সংসদ সদস্য পদ থাকে কি না-এটার বিচার করা।

এর আগে ১৯ জুলাই হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী আড়াই বছর সাজা কম খেটে বেরিয়ে গেছেন মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেন কারাকর্তৃপক্ষ।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ১০ বছরের সাজার মধ্যে তিনি সাজা খেটেছেন ৫ বছর ৮ মাস ১৯ দিন।

ঊল্লেখ্য, ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ’ শিরোনামে ২০১৪ সালের ১০ মে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্যপদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ফেনী জেলা যুবলীগের প্রাক্তন যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া।

রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ৮ জুন হাইকোর্ট রুল দেন। কোন কর্তৃত্ববলে তিনি এমপি পদে দায়িত্ব পালন করছেন রুলে তা জানতে চাওয়া হয়। এরপর হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চ এই রুল শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন। তারপর বিচারপতি মো. এমদাদুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে রিটটি শুনানির জন্য পাঠান প্রধান বিচারপতি। এই বেঞ্চে গত ১৯ জানুয়ারি রুল শুনানি শুরু হয়।