সোমবার ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

জয়ের জন্য দরকার ২০০

আপডেটঃ ৫:২২ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৩, ২০১৬

চ্যানেল সেভেন বিডি  :  ডেস্ক :  চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যঅট করতে নেমেছ বাংলাদেশ দল। তবে দলীয় ৮১ রানেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে বসেছে স্বাগতিকরা। তামিম ইকবাল ও ইমুরল কায়েস দুজনই ফিরেছেন সাজঘরে।

এ প্রতিবেদনটি লেখা অবধি স্বাগতিক বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১ ওভারে ৮২ রান। এখন ক্রিজে রয়েছেন মুমিনুল হক (১৮) এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

৯.৫ ওভারে মঈন আলীর বলটি একটু উঠিয়ে মারেন তামিম। আর সেটি তালুবন্দি করেন গ্যারি ব্যালান্স। আউট হওয়ার আগে তামিম ৩৩ বলে ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর কায়েস কিছুটা থিতু হয়েছিলেন ক্রিজে। ৫টি চারের সাহায্যে করেছিলেন ৪৩ রান। তবে ২০.১ ওভারে দলীয় ৮১ রানে আদিল রশিদের বলে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

এর আগে ম্যাচের চতুর্থ দিনের শুরুতে মাঠে নামেন আগের দিনে অপরাজিত থাকা ইংলিশ ব্যাটসম্যান ক্রিস ওকস ও স্টুয়ার্ট ব্রড। তবে সাকিবের ওভারে তাড়াহুড়ো করে রান নিতে গিয়ে রানআউটের শিকার হয়েছেন ব্রড। এরপর আর সাত রান নিতেই হারিয়েছে শেষ উইকেটটিও।

৭৭.৫ ওভারে সাকিবের করা বলে রান নিতে গিয়ে মিরাজ ও মুশফিকের দুরন্ত ফিল্ডিংয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ব্রড। আউট হওয়ার আগে তার সংগ্রহ ১০ রান। ওকসের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন শেষ ব্যাটসম্যান গ্যারেথ বেটি। তেব তিনি মাত্র ৮ বল মোকাবিলা করে তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড আউট হলে ইংলিশদের ইনিংস ২৪০ রানে থামে।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শনিবার (২১ অক্টোবর) নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ইংলিশরা ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ২২৮ রান। এদিন এই ইনিংসে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান একাই তুলে নেন ৫টি উইকেট।

এর আগে ইংল্যান্ডের ২৯৩ রানের জবাবে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় দিন শেষে সব উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ২৪৮ রান। ফলে ৪৫ রানের লিড পায় সফরকারীরা। তবে তৃতীয় দিন শেষে তাদের লিড গিয়ে দাঁড়ায় ২৭৩ রান।

এদিন স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস ২৪৮ রানে গুটিয়ে গেলে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করে ইংলিশরা। সফরকারী দলের অধিনায়ক প্রথম ইনিংসেও সুবিধা করতে পারেননি। আর দ্বিতীয় ইনিংসেও মাত্র ১২ রানেই ফিরেছেন সাজঘরে। ইংলিশ অধিনায়কের উইকেটটি নিয়েছেন অভিষেকে দুর্দান্ত চমক সৃষ্টি করা মেহদি হাসান মিরাজ।

এরপর একে একে জো রুট ও ওপেনার বেন ডাকেটকে সাজঘরে পাঠান সাকিব আল হাসান। ৯ রান করা গ্যারি ব্যালেন্সকে ক্যাচ আউট করে সাজঘরে পাঠান তাইজুল ইসলাম। লেগ স্লিপ থেকে ক্যাচটি ধরেছেন ইমরুল কায়েস।

ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী প্রথম ইনিংসে দলীয় সংগ্রহে অবদান রাখলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪ রানেই সাকিবের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তারপর দলের হাল ধরেন বেন স্টোকস ও জনি বেয়ারস্টো। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তারা দুজনে তোলে ১২৭ রান। এ জুটি চিন্তার ভাজ ফেলেছিল টাইগার অধিনায়ক মুশফিকের কপালে। তবে বেয়ারস্টোকে ৪২ রানে বোল্ড আউট করে এই জুটি ভাঙ্গেন অভিষিক্ত কামরুল ইসলাম রাব্বি।

এরপরই ইংলিশ শিবিরের হাল ধরা বেন স্টোককে (৮৫ রান)এলবিডাব্লিউ করে আরও স্বস্তি এনে দিয়েছেন সাকিব। এর কিছ পরেই ৯ রান করা রশিদকেও এলবিডাব্লিউ করে সাজঘরে পাঠিয়ে এক ইনিংসে ৫টি উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৫তম পঞ্চম উইকেট শিকার।

এর আগে ২০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংলিশ অধিনায়ক অ্যালেস্টার কুক। ব্যাটিং করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৯২ ওভারে ৭ উইকেটে তারা সংগ্রহ করে ২৫৮ রান।

ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশরা তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি। স্কোরবোর্ডে আর মাত্র ৩৫ রান জমা করেই অলআউট হয়েছে তারা। দ্বিতীয় দিনে সব উইকেট হারিয়ে তাদের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ২৯৩ রান।