মঙ্গলবার ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

সামাজিক নিরাপত্তা এবং শ্রমখাতে চার চ্যালেঞ্জ

আপডেটঃ ৫:৪৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৩, ২০১৬

  প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন বিডি :সামাজিক নিরাপত্তা এবং শ্রম খাতের চারটি চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। এগুলো হলো-দারিদ্রের ব্যাপক বিস্তার, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, শ্রমবাজারে লিঙ্গ বৈষম্য এবং শ্রম অভিবাসন।

বৃস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাং‘লাদেশ স্যোসাল প্রোটেকশন অ্যান্ড লেবার রিভিউ : টুওয়ার্ডস স্মার্ট স্যোসাল প্রোটেকশন অ্যান্ড জবস ফর দি পুওর’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছে।

সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। প্যানেল আলোচক ছিলেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রির্সাচ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (গবেষণা) ড. রুশিদান ইসলাম রহমান।

রিপোর্টে বলা হয়, দারিদ্র বিমোচনে সাফল্য দেখালেও সামাজিক বীমা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, ক্ষুদ্র ঋণ এবং শ্রমবাজার কর্মসূচিতে বাংলাদেশের আরও অনেক কিছু অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরাই কেবল পেনশন সুবিধা পাচ্ছেন উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্য কোন খাতে এই সুবিধা নেই। তাই বেসরকারি খাতের জন্য পেনশন সুবিধা চালু করতে হবে। ক্ষুদ্র ঋণের পরিচালন ব্যয় ও সুদের হার এখনও অনেক বেশি। বর্তমানে এই সুদের হার সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ। যা দীর্ঘ মেয়াদে সুফল পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক। দারিদ্র বিমোচনে সরকারের নেওয়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির অবদান থাকলেও উপকারভোগীর সংখ্যা দরিদ্রদের মোট সংখ্যার চেয়ে কম। তাই কর্মসূচির আওতা বাড়ানো, প্রায় অভিন্ন কর্মসূচিগুলোকে একটি কর্মসূচিতে রুপান্তর করে ব্যয় সাশ্রয় করা উচিত।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ১ কোটি ২৯ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এটি অর্জন করা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। কর্মক্ষম মানুষকে কাজ দিতে না পারা একটা ব্যর্থতা। আমরা ব্যর্থ হতে চাইনা। সরকার যেভাবে এগুচ্ছে সব মানুষকে কর্মক্ষম করতে পারবো।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য প্রশংসনীয়। তবে ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষ এখনও দারিদ্র সীমার নিচে রয়েছে। এসব মানুষকে দারিদ্র সীমার বাইরে নিয়ে আসা বড় চ্যালেঞ্জ। প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।