শনিবার ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মহানন্দার পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিকদের মাথায় হাত

আপডেটঃ ৫:২০ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৪, ২০১৬

এ রউফ পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ চ্যানেল সেভেন বিডি: পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ড নদীর মধ্যস্থল পানি প্রবাহিত মহানন্দা নদীতে পাথর উত্তোলন বন্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। জিরোপয়েন্টের মধ্য থেকে নদীতে কোন ভাবে পাথর বালি উত্তোলন করা যাবেনা বলে ঠাকুরগাঁর সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল দেওয়ান মুহাম্মদ লিয়াকত আলী স্পষ্ট জানিয়েছেন। ২৩ আক্টোবর দুপুর দুইটার সময় তেঁতুলিয়া উপজেলা সদর বিজিবি কোম্পানী সদরে ১৮ ব্যাটলিয়ন এর অায়োজনে স্থানিয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। মতবিনিময় সভায় বক্তব্যে স্থানিয়রা বলেন মহানন্দার শ্রমিকদের পাথর নির্ভর জীবিকা নির্বাহে পাথর উত্তোলনের স্থানিয় জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ও পাথর ব্যবসায়ীরা মহানন্দার পাথর উত্তোলনে অনুমতির জন্য অনুরোধ জানালে সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল দেওয়ান মুহাম্মদ লিয়াকত আলী এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেন এ অনুরোধ রাখা সম্ভব নয়। সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বিধায় কোন ক্রমে মহানন্দার নদীর মধ্য থেকে পাথর বালি উত্তোলন করা যাবে না। পাথর শ্রমিক পাথর তুলতে গিয়ে ইতিপূর্বে অনেক ঘটনা ঘটে গিয়াছে। আমরা চাই না পাথর তুলতে গিয়ে কোন শ্রমিক নিয়ম ভঙ্গ করে বিএসএফের গুলিতে প্রান দিতে হবে। তাই মহানন্দার পাথর উত্তোলন বন্ধ। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে পাথর উত্তোলন বন্ধ ঘোষনায় পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিকগন মাথায় হাত দিয়ে দলবদ্ধ হয়ে রাস্তায় বসে পড়ে। কারন সীমান্ত বেষ্টিতে নদী মহানন্দায় হাজার হাজার শ্রমিক পাথরের উপর জীবিকা নির্বাহ করে বেচে থাকে। গত ২২ অক্টোবর থেকে মহানন্দার পাথর উত্তোলন শ্রমিকদের বাঁধা প্রদান করা হয় এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)র পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞা হওয়াতে হাজার হাজার পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। মতবিনিময় আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় ১৮ ব্যাটলিয়ন বিজিবির অধিনায়ক কর্ণেল আল হাফিজ মহাম্মদ নওশাদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী মাহামুদুর রহমান ডাবলু, মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ সরেস চন্দ্র রায়, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া,  সদর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আনিছুর রহমান, বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন, তিরনইহাট ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অন্যান্যদেন মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী এবং সাংবাদিকবৃন্দ।