রবিবার ২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

নরসিংদীতে জ্বিনের বাদশা মাজেদা বেগম কাজের মেয়ে থেকে কোটিপতি

আপডেটঃ ৪:৪৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৫, ২০১৬

এম.এ. সালাম রানা নরসিংদী:নরসিংদীতে মাজেদা বেগম নামের একনারী জ্বীনের বাদশা খ্যাতি অর্জন করে দীর্ঘ ১০-১৫ বছর যাবৎ সর্বরোগের মহৌষধ সরবরাহ সহ সকল প্রকার সমস্যা সমাধানের নামে প্রতারনার আশ্রয়ে এমন কোটি পতি। জেলার বেলাব উপজেলার সল্লাবাইদ ইউনিয়নের মধ্যে পাড়া গ্রামের হাবিব উল্লার স্ত্রী মাজেদা বেগম ভূক্তভোগী মানুষের সকল ধরণের সমস্যা সমাধান করার নামে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আদায় করে নেয়ার এক চাঞ্চল্যকর সংবাদ পাওয়া গেছে। জ্বীনের বাদশা মাজেদা বেগমের নিজ বাড়ীতে অভিনব কায়দায় নান্দনিক আসর বসিয়ে আগত ভূক্তভোগী সাধারণ মানুষকে ধোকার জ্বালে ফেলে সকল রোগের অরোগ্যসহ সকল প্রকার সম্যা সমাধান এর ফাদে ফেলে প্রতারণা করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়। তথ্য প্রযুক্তির আধুনিক চিকিৎসায় যা সম্ভব নয় জ্বিনে র বাদশা মাজেদা বেগমের নান্দনিক আস্তানায় তিনি যে কোন জটিল রোগ অথবা সমস্যা রিসনে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ্রতারণার ব্যবসা চালিয়ে জিরো থেকে কোটিপতি হয়ে গেছেন। তৎকালীন কাজের মেয়ে মাজেদা বেগম প্রতারণামূলক এ সকল ভন্ডামী শুরু করলে এলাকার মানুষ তাকে মাজেদা পাগলী বলে আখ্যা দিয়ে আসছিল। পর্য্যায়ক্রমে মাজেদা বেগমের ভন্ডামী সহ প্রতারণায় সাধারণ সরল সহজ মানুষ তার ফাঁদে আকৃষ্ট হয়ে পড়ায় তাকে “জ্বীনির বাদশা বলে আখ্যা দেয়ায় তার ভন্ডামী প্রতারণা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়। দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়ায় পরিবারে অশান্তি দূর করতে সন্তান হওযার ঔষুধ, চুরি কিংবা হাড়িয়ে যাওয়া মালামাল ফিরিয়ে পেতে ঔষুধ প্রদান, ছেলে-মেয়ের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন, প্রেমের গভীরতা বৃদ্ধি, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্কের অবনতি গঠলে তা উন্নতি করা, অর্থাভাবে চাকুরী কিংবা বিদেশ গমনের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া, যে সকল নারীর বিয়ে হয়না, তাদের বিয়ে দেয়ার সুযোগ করে দেয়া, ভিটে-মাটি, জমিজিরাত নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ এবং মামলা মোকদ্দমায় জিতিয়ে দেয়া, পারিবারিক কলহ, যুদ্ধ বিরোধ নিস্পত্তি করে দেয়া সহ সর্বরোগের মহৌষধ প্রদানের নামে প্রতালনার আশ্রয়ে প্রতিনিদ হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আনুনিক বিজ্ঞানের যোগে প্রকাশ্যে দিবালোকে বছরের পর বছর, প্রায় ১০-১৫ বছর যাবত জ্বিনের বাদশা খেতাব প্রাপ্ত মাজেদা বেগম কিভাবে প্রতারণার র আশ্রয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে স্বর্বস্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, জেলা প্রশাসক বিদ্যমান থাকাবস্থায় কুসংস্কারের মাতাকলে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে এ ধরণের ভন্ডামী প্রতারণা কোন উপায়ে করছে এটাই এলাকাবাসী প্রশ্ন।