বৃহস্পতিবার ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

গাজীপুরে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অটো রিক্সা হয়রানি বন্ধের জোর দাবী

আপডেটঃ ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ | নভেম্বর ০৩, ২০১৬

মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক,চ্যানেল সেভেন বিডি: গাজীপুর জেলার টঙ্গী সহ জেলা জুড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-কালীগঞ্জ মহাসড়ক, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ প্রতিটি মহাসড়ক ও শাখা প্রশাখা, অলিগলি, মহল্লাসহ অসংখ্য অটো রিক্সা বিরাজমান।

এর মধ্যে একাধিক রয়েছে অটো রিক্সা মালিক সমিতি। প্রত্যেক সমিতির আওতাধীন অসংখ্য অটো রিক্সা ও তাদের ড্রাইভারদের নিয়ে চরম বিপাকে মালিক সমিতি। সারাদিন একজন ড্রাইভার রিক্সা চালিয়ে চার থেকে পাঁচশত টাকা উপার্জন করে সন্ধ্যার পর গেরাকলে পড়ে র‌্যাকার বিল গুনতে হয় আটশত টাকা। একদিকে মালিকের বকুনি, অন্যদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে যতসব যন্ত্রনা। না থাকে পকেটে টাকা, না থাকে বাজার খরচ। পরিবার নিয়ে অসহায়ত্ব জীবন যাপন করছে অটো রিক্সার ড্রাইভার। এর মধ্যে লক্ষ্য করে দেখা যায়। পায়ে চালানো বাংলা রিক্সা ছেড়ে দিয়ে পরিশ্রম একটু কম হবে বলে অটো রিক্সা নিয়ে বেড়িয়েছে রাস্তায়। এরই মধ্যে টঙ্গী বাজার থেকে মাল বোঝাই করে গাজীপুরার উদ্দেশ্যে এক থেকে দেড়শ টাকা ভাড়ায় কন্ট্রাক করে রওনা করেন। এ অবস্থায় রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে আটশত টাকা র‌্যাকার বিল করায়, ড্রাইভার একটু দূরে সরে গিয়ে মালিককে ফোন করে জানিয়ে কেটে পড়েন ঐ ড্রাইভার। বিপাকে পড়ে আটা, ময়দা, সুজি মালিক মুদি দোকানদার। না পারে রিক্সা ছাড়াতে না পারে মাল সরাতে। এমন এক অবস্থার পরেও শুরু হলো জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেডিসি)। দুপুরে পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে তামিরুল মিল্লাদ মাদ্রাসা গেট গাজীপুরা এলাকায় উপচে পড়া ভীড়। পরীক্ষার্থী ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে কেউ হয়তো রোড পারাপার, আবার কেউ ঐ খালী, এই খালী বলে ডাকাডাকি করছে। সারা দিচ্ছে না রিক্সার ড্রাইভার। এমন অবস্থায় জানতে চাইলে ড্রাইভাররা বলেন, এ দিকে যাবনা , ঐদিকে যাবো। এর কারন জানতে চাইলে তারা বলেন, সারা দিন কটাকাইবা রুজি করি। আপনি না হয় চল্লিশ টাকার জায়গায় পঞ্চাশ টাকা দিবেন। কিন্তু আমাকে গুনতে হবে আটশত টাকা। না ভাই আমি যাব না। অন্যদিকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা সেন্টার গাজীপুরে প্রতিটি স্কুলে হওয়ায় সকালে পরীক্ষা শুরু, দুপুরে পরীক্ষা শেষ। এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় পরীক্ষা হলে যাতায়াতরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা বাসা থেকে বের হয়ে কোন একটি রিক্সা পাচ্ছিনা। ত্রিশ মিনিটের রাস্তা এক ঘন্টায় পৌছতে পারি না। এমনটাই অভিযোগ ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের। তাই জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেডিসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) চলাকালীন সময়ে, অটো রিক্সা র‌্যাকার বিল ও হয়রানি শিথিল করার জোর দাবী জানান স্থানীয় প্রশাসন ও ট্রাফিক বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট।