বৃহস্পতিবার ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সাভারের ভাকুর্তায় মাদক বিরোধী অভিযানে জনপ্রতিনিধিরা। বিপুল পরিমান চোলাই মদ ওগাজা উদ্ধার।

আপডেটঃ ৪:২৫ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০৩, ২০১৬

 

বি এম আসাদুজ্জামান,স্টাফ রিপোর্টার: সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত মেম্বার জনাব হাজ্বী মোঃ ইয়াছিন মিয়ার নেতৃত্বে তার নিজ এলাকায় (শ্যামলাশী বাহের চর দুদুমার্কেট,লুটের চর)চলছে দফায় দফায় মাদক উদ্ধারের অভিযান।এই অভিযানকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে তৈরী করা হয়েছে মহল্লাভিত্তিক মাদক বিরোধী কমিটি।
গত কয়কদিনে শতশত লিটার মদ ও গাজা উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে শতশত উৎসূক জনতার মাঝে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমান মদ এবং গাজা আগুনে পুরিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাকুর্তা মাদক বিরোধী কমিটির উদ্যক্তা এবং ভাকুর্তা ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান জনাব হাজ্বী মোঃ আনোয়ার হোসেন,তিনি বলেন মাদক উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
035জনাব হাজ্বী মোঃ ইয়াছিন মেম্বার বলেন আমি নির্বাচনের আগে  আশ্বাস দিয়েছিলাম যে ৯নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত এলাকা হীসাবে গড়ে তুলার চেষ্টা করবো।তার ই ধারাবাহিকতায় আমি আমার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
এলাকার বসবাসরত লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে,আনুমানিক দীর্ঘ ৫০বছরেরওঅধিক সময় ধরে সাভারের এই ভাকুর্তা ইউনিয়নে চলছে জমজমাট চোলাই মদ ও গাজার ব্যাবসা।গত প্রায় ৭-৮ বছর যাবত যুক্ত হয়েছে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও  প্রশাসন তেমন কোনো উদ্বেগ নেয়নি বলে যানান এখানকার লোকজন। যার কারনে এখানকার উঠতি বয়সের ছাত্রছাত্রী,তরুন-তরুনী সহ বেশীর ভাগ যুবক ই বিভিন্ন মরন নেশায় আক্রান্ত হয়ে জীবন বিপন্ন করছে। তৈরী হচ্ছে পারিবারিক কলহ এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ। তবে বর্তমানে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজ্বী মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজ্বী মোঃ ইয়াছিন মিয়ার প্রচেষ্টায়  দীর্ঘ দিনের এই সমস্যা মোটামুটি অনেকাংশে সমাধানের দিকে এগুচ্ছে বলে জানান এখানকার জনগন।
এ বিষয় সাভার সার্কেল এস পি জনাব হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অভিযান অব্যাহত আছে, এর বাইরেও আমরা জনপ্রতিনিধিদের উৎসাহ এবং সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছি