শনিবার ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

বিএনপি ১৩ নভেম্বর আবারো সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি চাইবে

আপডেটঃ ৪:৪৫ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০৮, ২০১৬

mieza

 

স্টাফ রিপোর্টার: চ্যানেল সেভেন বিডি: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আগামী ১৩ নভেম্বর রোববার সোহরাওয়ার্দীতে আবারো সমাবেশের অনুমতি চাইবে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেইসাথে ৭ নভেম্বর সমাবেশ করতে না দিয়ে সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আমরা বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশের জন্য আগামী ১৩ নভেম্বও আবারো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশের অনুমতি চাইবো।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দেয়া প্রসঙ্গে বলেন, আপনারা পার্টি অফিসের চিত্র ইতিমধ্যে দেখেছেন। মনে হচ্ছে একটি যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। যেমন করা হয়েছিল- ২০১৩, ১৪ এবং ২০১৫ সালে। ওই সময় দলীয় অফিসকে কারাগাওে পরিণত করা হয়েছিল। আমাদেও নেতা রুহুল কবির রিজভীকে বন্দি করা হয়েছিল। এখনও দেখে তাই মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এমরা একটি রাজনৈতিক দল। সভা সমাবেশ করা আমাদের গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে- আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা। তারা আবারো দমন পীড়ন কওে সেই পুরনো একদলীয় বাকশালী শাসন ফিরিয়ে আনতে চাইছে ভিন্নভাবে।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। আমরা বর্তমানে এই অনির্বাচিত এবং অগণতান্ত্রিক সংসদে নেই। স্বভাবতই জনমতকে সুসংগঠিত করতে আমরা সমাবেশ করার জন্য বারবার অনুমতি চাইবো। সরকারকে বলবো গণতন্ত্রকে সুস্থ্যধারায় চলতে দিন। তাহলে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট সমাধান হবে। এভাবে সভা সমাবেশে বাধা দিয়ে দেশের সঙ্কট নিরসন হবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সকল রাজনৈতিক দলের আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই কেবল রাজনৈতিক সঙ্কটের নিরসন সম্ভব। এমতাবস্থায় সংলাপের কোনো বিকল্প নেই।
সমাবেশের অনুমতি না পেলে বিএনপি কি করবে? জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা অনমুতি চাইতেই থাকবো। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, মো: আব্দুস সালাম,আতাউর রহমান ঢালী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, বেলাল আহমেদ,নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।