| |

Ad

রোহিঙ্গা সংকট : প্রতিবাদমুখর সাহিত্যাঙ্গন

আপডেটঃ ১:৪১ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭

নিউজ, ডেস্ক :চ্যানেল সেভেন বিডি : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলছে রোহিঙ্গা নিধন। সেখানে সেনাবাহিনীর নিপীড়ন থামছেই না। তাণ্ডব চলছে একের পর এক গ্রামে। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা, ঘরবাড়ি। গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে সাধারণ রোহিঙ্গাদের। এ ঘটনার প্রতিবাদ চলছে বিশ্বজুড়ে। বিভিন্ন দেশে মানববন্ধন, লেখালেখি হচ্ছে। বিশ্ব মিডিয়ায় প্রতিদিনই খবর আসছে এই নির্মমতার। প্রতিবাদ থেমে নেই নেই বাংলাদেশেও। সাহিত্যিকরাও জানাচ্ছেন সমবেদনা ও প্রতিবাদ। এ ঘটনা নিয়ে ঢাকার অনেক দৈনিকের সাহিত্যপাতা, অনলাইন সংবাদ মাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে গল্প, কবিতা, নিবন্ধ। অনেকে আবার বিশেষ সংখ্যাও করেছেন। বলা যায় প্রতিবাদমুখর বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গন।

হাসান আজিজুল হক। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক। ছোটগল্পের যুবরাজ হিসেবেও তিনি খ্যাত। লিখে চলেছেন ছয় দশক ধরে। তিনি বলেছেন, ‘নবজাতকদের জন্য এই পৃথিবীটা এখনো বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি। পৃথিবীতে নবজাতকদের বাসযোগ্য করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মিয়ানমার রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে উচ্ছেদের নামে ছোট ছোট শিশুকে হত্যা করছে। নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে নারীসহ সব বয়সি মানুষকে। এটা বড়ই নির্মম ও বেদনাদায়ক। সব বিবেকবান মানুষকে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। রোহিঙ্গারা এমন কোনো দোষ করেনি যে, তাদের এভাবে হত্যা করতে হবে। দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে। তারা সে দেশে দুবেলা খাবার না পাক, অন্তত তাদের বাসস্থান থাকুক এটা করতে পারত সরকার। নাটোরে নবাব সিরাজ উদ-দৌলা সরকারি কলেজ অডিটরিয়ামে এক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন (সূত্র : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, রাইজিংবিডি ডটকম)।

নির্মলেন্দু গুণ। কবি ও চিত্রশিল্পী। কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন। ‘মায়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চাই’ লেখায় লিখেছেন, ‘আমি বিভিন্ন সূত্রে ফেইসবুকে আপলোডকৃত মায়ানমারে ঘটতে থাকা নির্মমতার ভিডিওচিত্রগুলি আড়চোখে দেখেছি। ঐ রকমের মানব-পীড়নের দৃশ্য সোজা চোখে দেখার সাহস আমি সঞ্চয় করতে পারিনি। আমার পক্ষে মায়ানমারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঔদ্ধত্ব এবং তার বর্বর সেনাদের এই অবিশ্বাস্য অমানবিক আচরণ মেনে নেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমি ঘুমাতে পারছি না’(সূত্র: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী তার ‘কোনো দায় থাকতে নেই’ কবিতায় লিখেছেন-‘মৃত্যুর মধ্যে ভিজানো ছিলো চিরতা-পাতা/বাবা নাফ, সাবধানে ডিলিক দাও/উথলে প’ড়ছে শিশুটির ঘুম, ভবিষ্যৎ …বার্মাটিকের দরোজার ও-পাশে বুলেটের দাগ/বাঁচা একটি দৌড় এবং পেছনের ভ্রান্তি মেনে/তুমি এখন মাটিবিহীন পোকা, ধোঁকা কেবল সম্বল।/বারুদ ও মেঘের সঙ্গে জন্মণে যেই চুক্তি ছিলো/কমলালেবুর মতো একটি গোল পৃথিবীর কোনো দায় থাকতে নেই? (সূত্র: কালের খেয়া, সমকাল, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

মুহম্মদ নূরুল হুদা। মূলত কবি হলেও তিনি ঔপন্যাসিক ও সাহিত্য-সমালোচকও। ‘রোহিঙ্গারাও যেহেতু মানুষ’ প্রবন্ধে লিখেছেন-  ‘প্রকৃত প্রস্তাবে সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে শরণার্থী-গ্রহণকারী এক নম্বর দেশ। সারাদেশে দৃশ্য-অদৃশ্য বা স্বীকৃত-অস্বীকৃত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা এখন বিশ লাখেরও বেশি। তাঁদের অনেকেই বাংলাদেশ থেকে ভিসা নিয়ে সৌদি আরব, মালয়েশিয়াসহ আরো কিছু মুসলিম দেশে চলে গেছেন। বাংলাদেশ প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। এর মূল প্রণোদনা মানবিকতা ও বিশ্বশান্তি। এই বিবেচনায় নোবেল পুরস্কার এখন শুধু সুচির কাছ থেকে কেড়ে নিলেই চলবে না, বরং তা প্রদান করতে হবে বাংলাদেশকেই। তাহলেই নোবেল শান্তি কমিটি সুবিচার করবে। সেক্ষেত্রে যোগ্য প্রাপক হবে বাংলাদেশের জনগণ, সরকার ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। সেটাই হবে সুচি ও খুনি  মিয়ানমার জান্তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেকের দাঁতভাঙা পাল্টা জবাব। লড়াই আমরা করবো অবশ্যই। তবে সে লড়াই হবে শান্তির লড়াই। বুদ্ধের অহিংসার লড়াই। কনফুসিয়াসের সদাচারের লড়াই। উপনিষদের অভেদসুন্দরের লড়াই। ইসলামের স্রষ্টা ও সৃষ্টির ঐক্যবোধ তথা তৌহিদের লড়াই। মানুষকে সব ভেদবুদ্ধির উপরে রেখে প্রকৃত মানুষ করার লড়াই। সেই লড়াইয়ে অবশ্যই বিজয়ী হবে মানুষ। বিজয়ী হবে রোহিঙ্গাও। কারণ তারাও মানুষ’ (সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭) ।

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের আশায় মিয়ানমারের শত শত রোহিঙ্গা নাগরিক টেকনাফ ও উখিয়াসংলগ্ন নাফ নদীতে নৌকা নিয়ে ভাসছে। এ নিয়ে কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলী রীয়াজ ‘ভাসো, ভাসতে থাকো’ কবিতায় লিখেছেন-‘ভাসো তুমি উত্তাল নদীতে/ভাসো তুমি অনিশ্চিত জীবনের পথে/ভাসো তুমি অগ্যস্ত যাত্রায়?/ভাসো, যেন তুমি হতে পারো গোত্রহীন;/ভাসো, যেন তোমাকে বলতে পারি ‘শরণার্থী’?(সূত্র : যুগান্তর, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন লিখেছেন-‘বুদ্ধের শিষ্যরা কহিলেন/এ সময় দেশ-দুনিয়া ভালো নহে/দূরদেশে বাণিজ্যের স্বপ্ন বৃথা/লগ্ন অশুভ/নিজ দেশে সংহারই উত্তম/কেউ হোক উদ্বাস্তু/সুখী হই আমরা সকলে’ (সূত্র : কালের খেয়া, সমকাল, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

প্রাবন্ধিক ও লেখক ফিরোজ আহমেদ তার নিবন্ধ ‘সীমান্তে রক্তাক্ত প্রতিবেশীর মুখ’-এ লিখেছেন, ‘মিয়ানমারের সংকটে সু চির মতো একটি মহাতারকার, আমাদের সময়ের একটি রাজনৈতিক কল্পকথার পতন দেখলাম আমরা। নীতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি সুবিধাকে প্রাধান্য দিয়ে জাতিসংঘের অধিবেশনে মুখ দেখাতে পারছেন না লজ্জায়। সু চি কি ভবিষ্যতে মিয়ানমারে আর কখনো সব জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন? মিয়ানমারের সেনাতন্ত্রকে ন্যূনতম প্রতিনিধিত্বশীল ব্যবস্থায় রূপান্তরে নেতৃত্ব দিতে পারবেন? ইতিহাসে এমন সময় আসে, আশু লাভকে বিসর্জন দিতে হয় নিজের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট রাখার জন্য। সু চি সেই পরীক্ষায় চরমভাবে অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর একটা বড় শক্তি ছিল বৈশ্বিক জনমত ও গণমাধ্যমের সমর্থন, সেটিও তিনি পুরোটাই হারিয়েছেন। সু চির এই বশ্যতা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যাকে মিয়ানমারে অনেকখানি প্রশ্নহীনভাবেই হতে দেবে। বিদ্বেষের কিছু পরিচয় তিনি আগেই দিয়েছিলেন, এবার তিনি তার মাত্রাটা বুঝিয়ে দিলেন।……সু চি যে অহিংসার পথে মিয়ানমারকে গণতন্ত্রের রাস্তায় আনতে চেয়েছেন, পরিণামে তা বহুগুণ বেশি রক্তপাতের বিনিময়ে মিয়ানমারে সামরিকতন্ত্রকে পুষ্ট করে চলেছে। পরিণাম শুধু এই জীবনের ক্ষয় না, গণহত্যার অংশীদার হিসেবে ‘অহিংস সু চি’র পাশাপাশি মিয়ানমারের পুরনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও পতন, যদিও সেই আন্দোলনকে অহিংস কায়দায়ই সু চি নিজেই খতম করেছিলেন বলেই এই পরিণামটা সম্ভব হলো। আমরা জানি না মিয়ানমার আবার কখন জাগবে। তার আগ পর্যন্ত সারা দুনিয়ার বৈশ্য সম্প্রদায় সেখানে রক্তের হোলিখেলার রসদ জুগিয়ে যাবে’ (সূত্র: শিলালিপি, কালেরকণ্ঠ, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭)।

কবি মনির ইউসুফ ‘লেদা শরণার্থী ক্যাম্পে জনরব’ শিরোণামে কবিতায় লিখেছেন-‘উজ্জ্বল রোদের তীব্র ঝলক লেদা শরণার্থী ক্যাম্প/হালকা বাতাসের শিরশিরানি/পলিথিন ঘরগুলোতে মচমচ শব্দ/ভেসে ভেসে যাচ্ছে, ভেসে যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের জীবন…’(সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

রেহেনা গাজী লিখেছেন প্রবন্ধ ‘কবি আলাওলের দেশের উত্তরসূরি রোহিঙ্গারা আজ শরণার্থী’। এখানে তিনি উল্লেখ করেছেন-“…নাসাকার রাত সাড়ে নয়টা থেকে বারটা পর্যন্ত গুলি চালাইসিল। একশ রাউন্ড পর্যন্ত গুলি চালাইসিল ত—। অটোমেটিক হাতে নিয়া গুলি চালাইসিল। অটোমেটিক হাতে নিয়া গুলি চালাইসিল আর লাশগুলা পইরা গ্যাছে মনে করেন কিসু রাস্তায় কিসু মসজিদের পাশে, আসে এই দানের খেতে—।” শুক্রবার দিন নমাওয়াজে (এরপর কিছু শব্দ উচ্চারণের জন্য বোঝা যায় না) হাতঅ ধইরা আমাকো একগা লাথি মাইরঅছে। আঁয়ি উঁশ (এরপর বাকি শব্দগুলি আর বোঝা যায় না কিন্তু আড়াল থেকে কেউ ইংরেজিতে বলে যেতে থাকেন কিছু যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, পরে মেডিকেল রিপোর্ট জানায় এই মহিলাকে অচেতন অবস্থায় অন্তত কুড়িবার ধর্ষণ করা হয়েছে।) প্রথম কথাগুলি বলছেন জহির আলম নামে বছর পঁয়তাল্লিশের এক পুরুষ আর পরের কথাগুলি বলছেন বছর তিরিশের এক মহিলা, নাম জাহানারা। দুজনের মধ্যে জাহির আলমের কথা শুনে পরিস্কার বোঝাই যাচ্ছে লোকটি বাঙলাভাষী, আর জাহানারার কথা বুঝতে অসুবিধা থাকলেও ইনিও যে বাঙলাভাষী তা অবশ্যই আন্দাজ করা যায়। কিন্তু দুজনের কথাতেই যে ভয়াবহতার ইঙ্গিত মিলছে তাতে অন্তত আমাদের অভিজ্ঞতা বা জানার মধ্যে ’৭১-এর বাংলাদেশ যুদ্ধের অভিজ্ঞতার বিবরণ ছাড়া অন্য কিছু বলে মনে হচ্ছে না। কিন্তু না, এই দুই বক্তার সব কথাই ২০১১ সালের মে মাসে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ ঘটনা নিয়ে। হ্যাঁ, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত হাইকমিশনারের রিপোর্ট অনুসারে এরাই হল এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে অবাঞ্ছিত ও সবচেয়ে অত্যাচারিত শরণার্থী। এরা রোহিঙ্গা’ (সূত্র : শিল্প সাহিত্যের অন্তর্জাল তীরন্দাজ, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান তার গদ্য ‘দেশহীন জাতির কথা’য় লিখেছেন-‘নির্দিষ্ট সীমানার কারাগারে বন্দি থেকে চরম দুর্দশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা। নিবন্ধিত রোহিঙ্গারা কোনোরকমে দু-বেলা খাবার পেলেও অনিবন্ধিতদেরকে দিনের পর দিন উপোস করে থাকতে হচ্ছে। মাছ-মাংস দূরে থাক, ঠিক মতো এক কেজি আলুও জোগাড় করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। ফলে বিলে-জঙ্গলে গজিয়ে ওঠা কচু, লতি আর শাকই তাদের বেঁচে থাকার মাধ্যম। এই খেয়ে কোনোরকমে বেঁচে থাকতে হয়, টেনে যেতে হয় জীবনের ঘানি। অপুষ্টিতে ভুগতে ভুগতে অল্প বয়সেই রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে তারা। নয়াপাড়া ক্যাম্পের শরণার্থী আবদুল মোতালেব বলেন, ‘আঁরা বা-জী বদকোয়াইল্লা, এক জেলখানা থেকে আরেক জেলখানায় আইয়েরে পচি মরিয়ের।’ক্যাম্পগুলো এখন একেকটি বন্দিশালা। এক বন্দিশালা থেকে মুক্তির স্বপ্ন নিয়ে এসে আরেক বন্দিশালায় অন্তরীণ হয়ে পড়েছে তারা। তাদের মুক্তি নেই। কারণ তারা দেশহীন।’ (সূত্র: শিল্পসাহিত্যের অন্তর্জাল পরস্পর ডটকম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

এ ছাড়া কবি মাসুদ খান লিখেছেন- অহিংসা, শান্তি ও প্রেম/আমরা অহিংসায় বিশ্বাসী—/আমাদের এ-কথায় বিশ্বাস না গেলে কিছুটা তো সহিংস হতেই হয়!/সহিংস হয়েই বোঝাতে হয় অহিংসার মর্ম/জীবহত্যা মহাপাপ বটে, নরহত্যা নয়।/এভাবেই আমাদের অহিংসার জয় (সূত্র: শিল্পসাহিত্যের অন্তর্জাল পরস্পর ডটকম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।

কবি মজিদ মাহমুদ পরস্পর ডটকমের একই সংখ্যায় লিখেছেন- ‘অনেক হয়েছে ভাই— এবার ধরো প্রতিরোধের লাঠি/আঁকড়ে ধরো মা মাটি/মারো—মরো নিজের মৃত্তিকায়/আমরা সাথে আছি—তোমাদের ভাই/দানব বধের মন্ত্র আমাদের আছে জানা/মানুষ বিপন্ন হলে আমরা নিশ্চুপ থাকি না।’