| |

Ad

সর্বশেষঃ

পুলিশ কনস্টেবলের প্রেমের ফাঁদে হালুয়াঘাটের গার্মেন্টস কর্মী

আপডেটঃ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ইভটিজিং এর অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন গার্মেন্টস কর্মী রিতা (ছদ্ধনাম)। সেখান থেকেই পরিচয়। গড়ে ওঠে প্রেম অতঃপর গড়ায় শারিরীক সম্পর্কে। শেষ পর্যন্ত সেই পুলিশ কনস্টেবলের প্রেমের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারায় রিতা (২১)। রিতা হালুয়াঘাট উপজেলার জয়রামকুড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের কন্যা। তিনি বর্তমানে কাঁঠালতলী সফিপুরে লিজ ফেসান ফ্যাক্টরীতে চাকরি করেন। অপরদিকে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ মাসুদুর রহমান শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার গড়জরিপাড়ার আব্বাহাজল ওরফে জয়নাল আবেদিনের পুত্র। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মাসুদের বাড়িতে গেলে মাসুদ গার্মেন্টস কর্মী রিতার সাথে দৈহিক সম্পর্কের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। রিতার সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গাজীপুর জেলার সফিপুরে থাকা কালীন শামসুল নামক এক ব্যাক্তির নামে অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন কালিয়াকৈর থানায়। সেখানেই পরিচয় হয় পুলিশ কনস্টেবল মাসুদের সাথে। রিতা বলেন, সহযোগিতা করার কথা বলে ফোন নাম্বারটি চেয়ে নেন। পরিচয় চান, কোথায় থাকি, কিভাবে থাকি? বাসায় যেতে চান। আমাকে প্রায়ই ফোনে ডিস্টার্ব করতে থাকে। বিরক্ত করার কারনে একপর্যায়ে আমি মির্জাপুর সাউট ইস্ট গার্মেন্টসে চাকরি নিয়ে দুরে চলে যায়। সেখানেও পিছু ছাড়েনি মাসুদ। গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো প্রায়ই। মানুষের সামনে বউ বলে পরিচয় দিতো আমাকে। আমি অনেকের কাছেই বিচার চেয়ে প্রতিকার পায়নি। একদিন-দুইদিন-তিনদিন যায়, আমার সাথে ফোনে কথা বলতে থাকে। প্রথমে বোন দাবী করে কথা বলতে চায়, তারপর দাবী করে বন্ধুত্বের। একপর্যায়ে আমাকে ফুঁসলিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। শারিরীক সম্পর্কও স্থাপন করে। কখনো তার ছোট ভাই আনাসের বাসায় আবার কখনো আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করে মাসুদ। এভাবে প্রায় এক বছর চলতে থাকে মাসুদের সাথে দৈহিক মেলামেশা। একসময় আমি চাপ দিই বিয়ে করার জন্যে। একদিন কোনাবাড়ির কাজী অফিসে বিয়ে করবে বলে নিয়ে গেলেও সেখান থেকে বিয়ে না করে কৌশলে ফিরে আসে। সেখান থেকেই সৃষ্টি হয় বিরোধ। মাসুদ সকল মোবাইল ফোন বন্ধ করে গাঁ ঢাকা দেয়। রিতা পরে খবর নিয়ে জানতে পারেন মাসুদের একটি পুত্র সন্তান সহ স্ত্রীও রয়েছে। কিন্তু প্রতারনার জালে ফেঁসে গেলো রিতা। এ বিষয়ে মুঠো ফোনে মাসুদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বাচ্চা আছে, বউ আছে। সে আমার সাথে সবকিছু জেনেই সম্পর্ক স্থাপন করেছে। শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, দু’জনের সম্মতিক্রমেই তা হয়েছে। কাজী অফিসে বিয়ে করতে গিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেন। মাসুদের দাবী সবকিছু জেনে শুনেই মেয়েটি তারসাথে সম্পর্ক করেছে। প্রতারিত মেয়েটি অভিযুক্ত মাসুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্যে মামলা দায়ের করবেন বলে জানান।