| |

Ad

সর্বশেষঃ

হালুয়াঘাটে কাঁচা মরিচের নজরানা এখন দিগুন

আপডেটঃ ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ১১, ২০১৭

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ১০ টাকার কাঁচা মরিচ চেয়ে একটু লজ্জাই পেলেন ক্রেতা। কারন দোকানি তাঁকে ক্রেতা হিসেবে মনেই করছেননা। অবস্থা এমন হইছে যে মরিচের পাশ দিয়ে হাঁটলেও এখন টাকা লাগবে! হালুয়াঘাট কাঁচা বাজারের দোকানি মোঃ আব্দুল বারী বলেন, কাঁচা মরিচের নজরানা এখন দ্বিগুণ। নিম্ন আয়ের মানুষের বাজারের থলিতে কাঁচা মরিচ ঢুকতে ভারি অনীহা তার। রাজধানীর ন্যায় হালুয়াঘাট বাজারেও গত কয়েক দিনের মধ্যেই দ্বিগুণ হয়ে গেল কাঁচা মরিচের দাম। পবিত্র আশুরা ও দুর্গাপূজার ছুটির আগে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি করতেন। আর এখন পাইকারি দোকানগুলোতেই কেজিপ্রতি ২০০ টাকা চাইছেন কাঁচা মরিচের এজেন্টরা (বিক্রেতারা)। একই বাজারের খুচরা দোকানে তা ২৫০। হালুয়াঘাটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ এখন ১৮০-২০০ টাকায়। বিক্রেতারা বন্যা ও আমদানির দোহায় দিলেও দিশেহারা ক্রেতারা। একই সঙ্গে গুজব ছড়িয়ে বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ তাদের। হালুয়াঘাটের পাঠাগার রোডের কাঁচা বাজার করতে আসা মুসা মিয়া মিয়া বলেন, বাজারে কোনো কিছুরই দাম কম না। এখন কাঁচা মরিচের দিকে তো তাকানোই যায় না। কিন্তু বাসায় নানা পদের রান্নায় কাঁচা মরিচ লাগেই। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের তো আয় বাড়েনি। জিনিস পত্রের দাম বাড়ছে। এতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও কিছু করার নাই। বাজারের কাঁচা সবজি বিক্রেতা আরিফ জানান, পাইকারি বাজারে বাড়লে তার প্রভাব খুচরা বাজারেও পরে। বর্তমানে দ্বিগুণের বেশি দাম দিয়ে পাইকারি বাজার থেকে মরিচ আনতে হচ্ছে। বাজারের অপর বিক্রেতা আলী হোসেন বলেন, কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে। এখন ২৫০ গ্রাম মরিচ ৫০ টাকার (কেজি ২০০ টাকা) নিচে বিক্রি করলে লোকসান দিতে হবে। আড়তদাররা বলেন, এখন বাজারে তেমন মরিচ নেই। বন্যার কারণে মরিচ উৎপাদন আগেই কমেছে। ফলে বাজারে দেশি মরিচের সরবরাহ কম। এ কারণে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। এদিকে সরবরাহ সংকটের কথা বলা হলেও বাজারগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ কাঁচা মরিচ দেখা গেছে। তবে দাম বেশি থাকায় মরিচের বেচাকেনা কমেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।