শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

এবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ

আপডেটঃ ২:৪২ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ০৩, ২০১৪

দুরারোগ্য এই রোগ প্রতিরোধে কার্যকর কোনো প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি। ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে শতকরা ৯৫ জনেরই মৃত্যু ঘটেছে।

ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের পর ৭৬৩ জনের দেহে এবোলা সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যাদের ৪৬৮ জনই মারা গেছেন বলে বিবিসি’র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অধিকাংশ মৃত্যুই ঘটেছে গিনিতে। ওই দেশেই প্রথম এবোলা ভাইরাস ধরা পড়ে। পরে লাইবেরিয়া, সিয়েরা লিয়নসহ পাশ্ববর্তী আরো কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবোলা ভাইরাস।

ভাইরাসটি মোকাবেলায় অচিরেই জরুরি বৈঠকে বসছেন আইভোরি কোস্ট, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো, গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি বিসাউ, মালি, সেনেগাল ও উগান্ডার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এ রোগ প্রতিরোধে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। ভাইরাসটি যেন আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডিব্লিউএইচও’র মুখপাত্র ডেনিয়েল এস্টেইন বলেন, “আমাদেরকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনসহ সংলগ্ন দেশগুলোতে সীমান্ত ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। এসব দেশে সামাজিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।”

এবোলা ভাইরাস দমনে কার্যকর টিকা নেই। তাই আক্রান্তকে নজরদারিতে রাখাই একমাত্র উপায়। ভাইরাস আক্রান্তদের সংস্পর্শে যারা আসছেন তাদেরকে সতর্ক দৃষ্টিতে রাখছেন চিকিৎসকরা। রোগীর সংস্পর্শ আসলেই তারা ভাইরাস আক্রান্ত হচ্ছেন কিনা তা দেখতে আপাতত ২১দিন তাদের ওপর নজর রাখছেন চিকিৎসকরা।

তীব্র জ্বরসহ নানা শারিরীক সমস্যা ধরা পড়ে এবোলা ভাইরাস আক্রান্তের শরীরে। ডাইরিয়া ও বমিও হতে দেখা যায় আক্রান্তদেরকে।