| |

Ad

অষ্টম দিনে গ্রন্থমেলায় ৬৪ নতুন বই

আপডেটঃ ১০:৪২ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০১৮

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক :অমর একুশে গ্রন্থমেলার অষ্টম দিনে নতুন বই এসেছে ৬৪টি। এর মধ্যে গল্পগ্রন্থ ৮টি, উপন্যাস ৭টি, প্রবন্ধগ্রন্থ চারটি, কবিতা ১৯টি, গবেষণা গ্রন্থ দুটি, ছড়াগ্রন্থ দুটি, শিশুসাহিত্য একটি, জীবনীমূলক গ্রন্থ দুটি, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ চারটি, বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ একটি, ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ দুটি, ইতিহাসগ্রন্থ ৭টি, অনুবাদমূলক গ্রন্থ একটি, এবং অন্যান্য  গ্রন্থ চারটি।

এদিকে বাংলা একাডেমি বইমেলার প্রথম সপ্তাহে বিক্রির পরিমান জানিয়েছে। প্রথম সপ্তাহে বাংলা একাডেমির নিজস্ব স্টলে বিক্রির পরিমাণ ২১ লাখ ৩ হাজার ২৬৪ টাকা।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় “এ বি এম হবিবুল্লাহ/মমতাজুর রহমান তরফদার চৌধুরী” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আকবর আলি খান এবং মেসবাহ কামাল। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ফিরোজ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক পারভীন হাসান।

এ বি এম হবিবুল্লাহ শীর্ষক প্রবন্ধে আকবর আলি খান বলেন, ‘ড. হাবিবুল্লাহর গবেষণা থেকে দেখা যায় তুর্কি সুলতানরা ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দিল্লির সুলতানদের সাফল্য সম্পর্কে তিনি যে চিত্র এঁকেছেন তা আজও প্রাসঙ্গিক। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলো দিল্লির সুলতানদের রাষ্ট্রপরিচালনার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে দেশ চালালে অনায়াসেই সুশাসনের দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।’

মমতাজুর রহমান তরফদার শীর্ষক প্রবন্ধে মেসবাহ কামাল বলেন, ‘ইতিহাসচর্চার গতানুগতিক ধারাকে অতিক্রম করে বিজ্ঞানসম্মত ও প্রগতিশীলতার আলোকে মধ্যযুগের ইতিহাসকে পুনঃগঠন করেছেন মমতাজুর রহমান তরফদার। মধ্যযুগের কাব্যচর্চা থেকে শুরু করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চাও ছিল তাঁর ইতিহাস-গবেষণার বিষয়বস্তু।’

আলোচক ফিরোজ মাহমুদ বলেন, ইতিহাসচর্চায় বহুমাত্রিকতার ধারক ছিলেন এ বি এম হবিবুল্লাহ এবং মমতাজুর রহমান তরফদার। মধ্যযুগের ভারতীয় ইতিহাসকে প্রগতিশীল ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন তারা। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন আমলে সংঘটিত নানা সংস্কার ও পরিবর্তনকে অবলম্বন করেই ইতিহাস রচনায় তাঁরা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও গবেষণা-পদ্ধতি প্রণয়ন করেছেন।  

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক পারভীন হাসান বলেন, এ বি এম হবিবুল্লাহ ও মমতাজুর রহমান তরফদার দু’জনই ইতিহাসচর্চায় যে প্রগতিশীল ধারার সৃষ্টি করেছেন তা অতুলনীয়। তাঁরা দেখিয়েছেন অতীতকে কেবল তথ্যমূলকভাবে উপস্থাপন করাই ইতিহাস নয় বরং বর্তমানের সাথে অতীতের ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা সৃষ্টি করাই একজন ঐতিহাসিকের দ্বায়িত্ব।

সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়, কান্তা নন্দী, মো. নূরুল ইসলাম, নবনীতা রায় বর্মণ এবং সঞ্জয় কুমার দাস।